পাতা:মেয়েলি ব্রত ও কথা - পরমেশপ্রসন্ন রায়.pdf/৮৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


· ዓs` ইতু-রা’ল - লেন। যমুনা রাজার দুৰ্ম্মতির কথা শুনে কঁদিতে লাগলেন। অমুনাকে তিনি গোপনে নিজ বাড়ীতে রাখলেন। অমুনা যমুনাকে বলেন, বোন আমি যে এখানে রইলুম তা কেউ রাজার কাণে না তোলে ; মন্ত্রী মশাইকে ব’লে কােজ নেই । যমুনা বল্লেন, দিদি মন্ত্রীর মন্ত্র আমার হাতে, তোমার কোন ভয় নাই। তুমি নিশ্চিন্ত থাক । এদিকে, কিছুদিন পর রাজার চৈতন্য হলো । তিনি রাণীর জন্য ব্যাকুল হলেন। অনুতাপ ক’রে মন্ত্রীকে বলেন, আমি বিনা দোষে রাণীকে ও ছেলেকে তাড়িয়ে দিয়েছি ; যত টাকা লাগে দেবো, তুমি লোকজন পাঠিয়ে তাদের খুঁজে নিয়ে এসো। রাণীকে না দেখে আমার প্ৰোণ বেরিয়ে যাচ্ছে । মন্ত্রী মহা বিপদে পড়লেন। সব লোক ফিরে এলো, কেউ রাণীর খোজ পেলে না। রাণীকে পাওয়া গেল নং বলে চাকরি তো থাকবেই না, আরও কি হয়, এই ভেবে তিনি মনের দুঃখে৷ লেপ মুড়ি দিয়ে শুয়ে রইলেন। যমুনা এসে বল্লেন, তুমি এত সুভাবচো কেন, আমি থাকতে তোমার চাকরি যাবার ভয় নাই । রাজা রাণীর জন্যে এত উতলা হয়েছেন তা শুনে আমি সুখী হলেম । রাণীর সঙ্গে যাই হোক আমার একটা রক্তের টান আছে, এজন্যে আমি নিজেই লোক পাঠিয়ে তাঁকে খুঁজে নিয়ে সেছি। তুমি যাও রাজাকে সংবাদ দাওগে, আমি রাণীকে পালকী ক’রে পাঠিয়ে দিচ্ছি। । যমুনা রাণীকে ও তার ছেলেকে সাজগোজ করিয়ে অনেক ধন রঙ্গ সঙ্গে দিয়ে রাজবাড়ীতে পাঠিয়ে দিলেন । ঐসব ধন স্বাক্স রাজ্যভাণ্ডারে না। যাইতেই ইতু-রা’ল ঠাকুরের কোপে অদৃশ,