পাতা:মেয়েলি ব্রত ও কথা - পরমেশপ্রসন্ন রায়.pdf/৯২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


yo o . রেগে কথা কইতে পারেন না। তখন মন্ত্রী বলেন, রাজা তুমি । নিশ্চয়ই পাগল হয়েছ ; নইলে যে রাণীকে স্বয়ং হুকুম দিয়ে কেটে ফেলেছি তাকে খুঁজে দেবার জন্য হুকুম দেৰে কেন ? আমার গর্দানাটা তে গিয়েই রয়েচে। তবে আর তোমাকে প্ৰণাম বা কেম, ভক্তিই বা কেন ? তোমাকে আর আমি ভয় করি না । শুনে রাজা নরম হয়ে গেলেন। মন্ত্রী আবার বলতে লাগলেন, রাজা, তোমার প্রতি ইতু-রা’ল ঠাকুরের কোপ। তঁর ক্ৰোধের শান্তি না হ’লে স্বৰ্গ, মৰ্ত্ত, পাতাল খািজলেও রাণীকে আর পাওয়া যাবে না । যদি ভাল চাও, তবে আমার ঘরে চল । আমার স্ত্রী আজ ইতু-রা’ল ঠাকুরের ব্রত করবে ; ঠাকুরের কৃপা হলে রাণীকে ও ছেলের্কে পেলেও পেতে পার । রাজা তাই করলেন। তিনি মন্ত্রীর বাড়ী গেলেন। অমুনা ও যমুনা ভক্তি ক’রে ব্ৰত সমাপন করলেন । “তারপর যমুনা, অমুনাকে ও তাঁর ছেলেকে সাজিয়ে গুজিয়ে আড়ালে রাখলেন। তখন মন্ত্রী রাজাকে অন্দরে ডেকে এনে বলেন, ব্রত হয়ে গেছে তুমি ভুয়ে মাথা ঠেকিয়ে প্ৰণাম কর। রাজা সাষ্টাঙ্গে প্ৰণাম করলেন। চোখ বুজে মনে মনে প্রার্থনা করলেন, ঠাকুর আমার শত অপরাধ মার্জনা 'কর,'। রাণীকে ও পুত্রকে বিনাদোষে প্ৰাণদণ্ড করেছি, তোমার চরণে এই ভিক্ষণ তাদের সঙ্গে আমায় মিলিত কয়। পৃথিবীতে আমার অন্য সাধ নাই। এই বলিয়া রাজা মাটীতে মাথা লুটাইয়া গাত্ৰোখান করলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে সুখ মেলিয়া দেখতে পেলেন, রাণী ও তার পুত্র ঠিক সম্মুখে SBDDDS DDDS BBBBZSBBZiBBS LLS