পাতা:যশোহর-খুল্‌নার ইতিহাস প্রথম খণ্ড.djvu/১৪৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

$Ꮤ% যশোহর ও খুলনার ইতিহাস। জীবিত নাই । * কিন্তু তৎপরে আর গণ্ডারের সন্ধান পাওয়া যায় নাই এবং আছে বলিয়াও বোধ হয় নাই। বন্ত মহিষ পশ্চিমভাগে কখনও দেখা যায় না, পূৰ্ব্বাংশে স্থানে স্থানে এখনও আছে। লোকে পূৰ্ব্বভাগে কুকুরিয়া মুকুরিয়া প্রভৃতি দ্বীপে মহিষ চরাইবার জন্য লইয়া যায়, সেখান হইতে অনেক পোষা মহিষও পলাইয়া বন্ত হইয়া যায়। হাতিয়, সন্দ্বীপ, চর ম্যাকফারসন প্রভৃতি স্থানে সুন্দরবনের চিহ্ন আছে, কিন্তু নিবিড় বন নাই। সুতরাং ব্যাঘ্র প্রভৃতি জন্তু একেবারেই নাই। - সুন্দরবনে হরিণের সংখ্যাই সৰ্ব্বাপেক্ষ অধিক। বনের যে কোন স্থানে যাওয়া যায়, সেখানেই হরিণের অস্তিত্বের পরিচয় পাওয়া যাইবে । সুন্দরবনে জন্তুর গমনাগমনের জন্য যে বনপথ দেখা যায়, তাহা হরিণের পদচিহ্নে মণ্ডিত। হরিণ পালে পালে চরে, পালে পালে বিশ্রাম করে। হরিণ বড় আরাম ভালবাসে ; একটু উচ্চ ছায়াবহুল স্থান দেখিলে রৌদ্রের সময় হরিণগণ তথায় বিশ্রামমুখ ভোগ করে ; পায়ে একটু কাদা লাগিলে, হরিণ বিরক্ত হইয়া পা ঝাড়িতে থাকে। যাহাদের সৌন্দর্য্য আছে, তাহাদিগকে উহা রক্ষা করিবার প্রবৃত্তিও ভগবান দিয়াছেন। হরিণের মত চঞ্চল জন্তু আর নাই ; জগদীশ্বর ইহাদের আকৰ্ণবিস্তৃত সুন্দর চক্ষু এবং দীর্ঘ সরু সরু পাগুলিকে চঞ্চলতার উপযোগী করিয়া স্বষ্টি করিয়াছেন। সুন্দরবনের বাঘ ও হরিণের প্রধান রঙ একই প্রকার ; উভয়ই রক্তাভ হরিদ্রাবর্ণ( rufous yellow ) ; বাঘের বেলায় এই রঙ্গের উপর কালো কালো লম্বা ডোরা, তেমন আর পৃথিবীর মধ্যে কোন জন্তুর নাই এবং হরিণের বেলায় ইহার উপর ছোট ছোট শাদা ডোরা। হিন্দুশাস্ত্রে ৯ প্রকার মৃগের কথা আছে। ঃ তন্মধ্যে হরিণজাতীয় মৃগই সুন্দরবনে পাওয়া যায়। S BBS BDD BBBB BBBB BDDDDD DDD DSaBD DDE BBS BB 00S *७lब्र इडा कब्रिग्नांझिण। उiशंद्र शूद्ध ७भद्र निकांग्रेो छौदिठ अitझ् ।

  • ब्रांद्र मांtश्र नलिनैौकाछ ब्रांब्राहौभूौ s४v* यtसcनव दाग्न चttत्र श७itब्रह गरि দেখিয়াছিলেন ।
नषtब्र॥ tब्रांश्उि ब्रांtवी छडूबहू नtन क्रम:
  • ११ण इब्रिभtwकठि मृtभी नरदिष बङt: ॥

কালিকাপুরাণ।