পাতা:যশোহর-খুল্‌নার ইতিহাস প্রথম খণ্ড.djvu/১৮১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

$రీe যশোহর-খুলনার ইতিহাস। ভাগীরথীর পশ্চিম তীরে মুর্শিদাবাদের রাঙ্গামাটা প্রভৃতি অঞ্চলের মৃত্তিক পরীক্ষা করিলে সহজে বুঝা যায় যে, কিরূপে পূৰ্ব্বপারে দ্বীপ স্বজনজন্ত নূতন মৃত্তিকা গঠিত হইতে ছিল। হিমালয়ের গাত্রধেীত জলরাশি বহুল পৰ্ব্বতরেণু বহন করিয়া গঙ্গাথাতে সাগরসন্ধানে ছুটে এবং মৃত্তিক ও বালির সংযোগে একপ্রকার পলিমাটা দেশে দেশে রাখিয়া যায়। গঙ্গার মত ভূমিগঠনের ক্ষমতা পৃথিবীর মধ্যে কোন নদীরই নাই। পূৰ্ব্বে বলা হইয়াছে যে অকস্মাৎ এক সময়ে ভূমিকম্প দ্বারা এক বিস্তৃত ভূমিভাগ স্থানে স্থানে জল হইতে মস্তক উত্তোলন করে, গঙ্গার গৈরিক মৃত্তিকা উহার উপর সঞ্চিত হইতে হইতে দ্বীপের স্বষ্টি হইতে থাকে। যশোহর-খুলনারও অনেকস্থানে পুষ্করিণী বা কূপ খননকালে এই পলিমাটার স্তর ৪৫ ফুট হইতে ৯১০ ফুট পৰ্য্যন্ত বিস্তৃত দেখিতে পাওয়া যায়। নিম্নবৰ্ত্তী অটিাল বা জোবমাটর সহিত এই পলির কোন সম্বন্ধ নাই। এইরূপে যখন দ্বীপ উন্নত হইতে লাগিল, তখন উত্তরদিকে ভূমি ক্রমশঃ বনাকীর্ণ ও অবশেষে জনাকীর্ণ হইতে লাগিল। দ্বীপ নিৰ্ম্মাণকাৰ্য্য তখন ক্রমশঃ দক্ষিণে সরিয়া যাইতে লাগিল। এইরূপে ভাগীরথী ও পদ্মার মধ্যে এক ত্রিকোণাকার ভূমিখণ্ড সমুদ্রসীম পর্যন্ত বিস্তৃত হইয়া পড়িল । বকচন্ধুবৎ আকৃতির জন্যই সম্ভবতঃ ইহার নাম হইয়াছিল বকদ্বীপ * ইহাকেই আমরা ইংরাজীর অমুকরণে ব’দ্বীপ করিয়৷ লইয়াছি। বকদ্বীপই বৌদ্ধ আমলে ভাষার অপকৰ্ষবশতঃ বগদি নামে পরিণত হয়। উহা হইতে সেনরাজগণের রাজত্বকালে একটি উপবিভাগের নাম হইয়াছিল বাগড়ী। । বদ্বীপ বা বগদির জঙ্গলাকীর্ণ ভূভাগে যে অসভ্য জাতি বাদ করিত, তাহারা এখনও বাগদী বলিয়া পরিচিত আছে। বাঙ্গালীর সহিত এক স্থানে বহুবৎসর যাবৎ বাস করিয়াও তাঁহাদের বন্যপ্রকৃতি ও স্বরভঙ্গি এখনও আছে। - এই বদ্বীপ আজ যেমন বিস্তৃত, পূৰ্ব্বে এরূপ ছিল না। কিন্তু ইহার আকৃতি যাহাই থাকুক, ইহার সমুদ্রকুলবর্তী অংশ যে বহু কালাবধি কাননাবৃত ছিল, ভূতত্ত্ব • ঐযুক্ত দুর্গাচরণ সাম্ভাল প্রণীত "বঙ্গের সামাজিক ইতিহাস" ১, পৃষ্ঠা। * वैमूल गप्त्वननीष बकाशिांश अम. ७ वशनारू अश्छ” भश्ञान कब्रिाप्इन! বাঙ্গালার পুরাবৃত্ত ১০৮ পৃষ্ঠা।