পাতা:যশোহর-খুল্‌নার ইতিহাস প্রথম খণ্ড.djvu/১৮৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

రి ఆ যশোহর-খুলনার ইতিহাস । স্মৃতি জাগাইয়া রাখিয়াছে। যশোহর জেলার বর্তমান সারশা ও কেশবপুর থানা লইয়া এই দ্বীপ গঠিত ছিল। (৯) বৃদ্ধদ্বীপ বা বুঢ়ান। ইহা অন্ধ, দ্বীপের দক্ষিণ ও কুশদ্বীপের পূৰ্ব্বভাগে অবস্থিত। ইচ্ছামতী নদীর পূর্বকুল হইতে আরম্ভ করিয়া সোজা কেশব পুরের দক্ষিণভাগ দিয়া পূৰ্ব্বোত্তর মুখে বর্তমান খুলনা দিয়া বলেশ্বর নদী পর্যন্ত বিস্তৃত।* সাতক্ষীরা ও খুলনা সদর উপরি ভাগের অধিকাংশ এই বৃদ্ধদ্বীপের অন্তর্গত। এখনও সাতক্ষীরা সহরের উত্তর পশ্চিমাংশে যমুনা ইচ্ছামতী হইতে কপোতাক্ষী পর্যন্ত বিস্তৃত প্রকাণ্ড বুঢ়ান পরগণা পূৰ্ব্বতন দ্বীপের স্থান নির্দেশ করিতেছে। মোটামুটি বলিতে গেলে প্রাচীন যশোর রাজ্যের পূর্বাংশে বুঢ়ান দ্বীপ, পশ্চিমাংশে প্রবালদ্বীপ এবং উত্তরাংশে কুশদ্বীপ ছিল। বৰ্ত্তমান সময়ে বুঢ়ান, ভালুক, দাতিয়া, খলিসাখালি, সাহস, খালিসপুর ও বেলফুলিয়৷ এই কয়েকটি প্রধান পরগণা বৃদ্ধদ্বীপের অধিকৃত। সাতক্ষীরা, কুমির, তালা, শোভনা ও সেনহাটি বৃদ্ধদ্বীপের পুরাতন নগর। (১) স্বৰ্য্যদ্বীপ। অন্ধু দ্বীপের পশ্চিমোত্তর হইতে আরম্ভ করিয়া বৃদ্ধদ্বীপের উত্তর ভাগে মধুমতী বা বলেশ্বর পর্যন্ত বিস্তৃত প্রকাণ্ড দ্বীপের নাম স্বৰ্য্যদ্বীপ। ইহার প্রাচীন নাম যোগীন্দ্রদ্বীপ ছিল, পরে মহারাজ বল্লাল সেন একটি অদ্ভুত কার্য্যের পুরস্কারস্বরূপ স্থৰ্য্যনারায়ণ নামক একজন কৈবৰ্ত্ত ধীবরকে যোগীন্দ্রদ্বীপের যে অংশ দান করিয়াছিলেন তাহাই স্বৰ্য্যদ্বীপ হয় । । এখন কিন্তু বিপরীত হইয়াছে। সমস্ত দ্বীপটিকে স্বৰ্য্যদ্বীপ বলা হয় এবং উহা তিন অংশে বিতত্ত। ;

  • “বৃদ্ধদ্বীপে বৃহৎকারে যস্য গর্ভে বলেশ্বরঃ”—মিশ্রকারিক। + সেনরাজত্ব প্রসঙ্গে ও মহেশপুরের বিবরণীতে যথাস্থানে এ ঘটনা বিবৃত হইবে। মহেশপুরে স্বৰ্য্যরাঞ্জার পরিখা-বেষ্টিত বাড়ী এখনও "স্বৰ্য্যের বেড়” নামে গভীর জঙ্গলাৰু ইয়া রহিয়াছে । “আর্য্যাবৰ্ত্ত” ১৩১৯ । আশ্বিন, "মহেশপুরের স্বধ্যরাজা” প্রবন্ধ দ্রষ্টব্য ।

“সূর্য্যদ্বীপ জাগিক সুৰ্য্যের পুরস্কার” –মুলোপঞ্চাননের কারিকা । “সুৰ্য্যদ্বীপশ্লি'ভৰ্ভাগৈঃ সরিদগত্যা বিভজ্যতে। তে বাটকঙ্কযোগীন্দ্র ভৈরবেচ্ছাদি যোগতঃ। যোগীন্দ্রো ধীবরপ্রাপ্তে লাটাে দ্বাদস্য রাজ্যক কঙ্কস্তু পূৰ্ব্বসীমায়াং চিত্রা যত্র বিরাজড়ে।” - এড্‌মিশ্রের বাকি। ইলালমোহন বিদ্যানিধি কৃত "সৰস্বনির্ণ", ১৭ পৃঃ।