পাতা:যশোহর-খুল্‌নার ইতিহাস প্রথম খণ্ড.djvu/৪৪৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

૭૪ যশোহর-খুলনার ইতিহাস । গোস্বামিগণ নিশ্চিতই রূপসনাতন বা র্তাহাদের কোন ভ্রতার বংশধর। রূপসনাতন রাজকাৰ্য্যের জন্য প্রভূত ভূসম্পত্তি জায়গীরস্বরূপ পাইয়াছিলেন, এবং কর দিয়া উহা ভোগদখল করিতেন। ভক্তিরত্নাকারে তাহার উল্লেখ আছে। প্রেমভাগ প্রভৃতি স্থান উক্ত সম্পত্তির অন্তর্গত ছিল । এখনও প্রেমভাগের কোন কোন স্থান তদুবংশীয়গণের অধিকারভুক্ত আছে। ইহাও যশোহরের একটা বিশেষ গৌরবের বিষয়। প্রেমভাগে সদর পুকুরের দক্ষিণতীরে একটি বোধনবিম্বমূলে শ্রীরূপের হস্তাঙ্কিত পাথরখানি নাকি অনেকদিন পর্য্যন্ত ছিল। সেই স্থানে ২১ বৎসর রূপসনাতনের জঙ্গ উৎসব হইয়াছিল। সে উৎসব প্রতি বৎসর অমুষ্ঠিত হইলে নিজাব রাজ্যের একট প্রাণের পরিচয় পাওয়া যাইবে । مصصصصصدO}عصصصص নবম পরিচ্ছেদ—হরিদাস । স্বর্যোদয়ের প্রাক্কালে যেমন প্রাচীদেশ রক্তিমবর্ণে রঞ্জিত হয়, চৈতন্যদেবের আবির্ভাবের পূৰ্ব্বেও তেমনই সমগ্র বঙ্গদেশ তাহারই মতে র্তাহারই প্রাণে অমুপ্রাণিত হইতেছিল। প্রভাত-পক্ষীর প্রথম কাকলীর মত কোন কোন দিকৃ হইতে তাহার নবমভ ঝঙ্কারিত হইতেছিল । নামের মাহাত্মা কীৰ্ত্তনই চৈতন্তের সার নীতি। কিন্তু অনন্তসাধনায় এ নীতি প্রথম প্রচার করিয়াছিলেন, হরিদাস ৷ কীৰ্ত্তনপ্রথা তিনিই প্রবর্তন করেন। স্তন্ধরজনীর নির্জনত ভেদ করিয়া তিনি ভগবানের নামামুকীৰ্ত্তন দ্বারা পরলোকের বাৰ্ত্ত বিজ্ঞাপিত করিয়াছিলেন। ষে দেশে তান্ত্রিকমতে অতি সঙ্গোপনে মনে মনে সংক্ষিপ্ত বীজমন্ত্র জপ করিবার প্রথা ছিল, সেই দেশে সৰ্ব্বজনশ্রুতিযোগ্য উচ্চকণ্ঠে ইষ্টদেবের পূর্ণ নাম উচ্চারিত করিবার পদ্ধতি তিনিই দেখাইয়াছিলেন। হিন্দুশাস্ত্রে অনেক যজ্ঞের কথা আছে, তন্মধ্যে জপ-যজ্ঞ একটি। প্রাচীন মমু-সংহিতায়ও এই যজ্ঞের কথা আছে। কিন্তু সে বঙ্গে কিরূপে পূর্ণাহুতি দিতে হয়, আধুনিক যুগে হরুি দাসের সাধন-জীবনই তাহার সজীব দৃষ্টান্ত রাখিয়াছে। -- বৈষ্ণবযুগে কত হরিদাস আবিভূর্ত হইয়াছিলেন। তন্মধ্যে দুইজন ছিলেন “কীৰ্ত্তানা” হরিদাস ; আমরা যাহার কথা বলিব, তিনি সাধারণতঃ বৰম: