পাতা:যশোহর-খুল্‌নার ইতিহাস প্রথম খণ্ড.djvu/৪৬৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

Óፃ: যশোহর-খুলনার ইতিহাস । কত শক্রতাই সহ করিতে হয়। তথাপি রামচন্দ্রের বৈষ্ণব-বিদ্বেষ যে লোকসমাজে তাহাকে একান্ত নিন্দিত করিয়া রাখিয়াছে, সে বিষয়ে সন্দেহ নাই। কিন্তু সে নিন্দাভেদ করিয়াও র্তাহার জল-দীনপুণ্যের কথা লোকসমাজে আত্মপ্রতিষ্ঠা করে। পাঠান রাজগণ লোকহিতকর কার্য্যের উৎসাহদাতা ছিলেন । হুসেন সাহ যে এবিষয়ে সৰ্ব্বগ্রণী, তাহা ঐতিহাসিক সত্য। ইতিহাস কখনও প্রবাদের ঋণ পরিশোধ করিতে পারিবে না । পাঠান শাসনের অত্যাচার-কলঙ্কের মধ্যে ও প্রবাদ একটি কথা প্রকাশ করে যে, তাহাদের মধ্যে অনেকে অনুগত জমিদারগণ কোন লোক-হিতকর কার্য্য করিলে তাঁহাদের নিকট হইতে রাজস্ব দাবি করিতেন না। রাজনীতির এমন উচ্চ আদর্শ অতীব দুল্লভ। যাহা হউক, অন্ত নৃপতি কি করিয়াছেন, তাহ জানিতে না পারিলেও হুসেন সাহ যে রাম খাঁর রাজস্ব বহুদিন মাপ করিয়াছিলেন তাহ মানিয়া লইবার কারণ আছে । সত্যনিষ্ঠ বৈষ্ণব কবি বলিয়াছিলেন হরিদাসের প্রতি অত্যাচারের নিমিত্ত রামচন্দ্র যে মহদপরাধের বীজ রোপণ করিয়াছিলেন, তাহা হইতে বিষবৃক্ষের স্বষ্টি হইয়াছিল। বৈষ্ণব-বিদ্বেষে এই পাপ ক্রমেই বৃদ্ধি পাইতেছিল। চৈতন্যদেবের সহিত যিনি অচ্ছেদ্য বন্ধনে সংবদ্ধ ছিলেন, সেই নিতানন্দদেব এক সময়ে গৌড়ে আসিয়াছিলেন এবং দেশে দেশে ভ্রমণ করিতেছিলেন। এই ভ্রমণের দুইটি উদ্দেশু ছিল ;–নবধৰ্ম্মমত প্রচার এবং বৈষ্ণব-বিদ্বেষীদিগের শাস্তি বিধান । “প্রেম প্রচারণ আর পাষণ্ডদলন দুই কার্য্যে অবধূত করেন ভ্রমণ।” (চরিতামৃত) তিনি রামচন্দ্রের কথা জানেন এজন্য একদিন শিষ্যদল সহ কাগজপুকুরিয়ায় আসিয়া উপস্থিত হইলেন। রামচন্দ্র নিজে ভক্ত অতিথির সহিত সাক্ষাৎ নী করিয়া, ভূত্য দ্বারা বলিয়া পাঠাইলেন যে দুর্গামওপ তাহার থাকিবার উপযুক্ত স্থান নহে। নিকটবৰ্ত্তী গোয়ালার বাড়ীতে বিস্তীর্ণ গোশালায় তাহাকে স্থান ৫ “রামচন্দ্র খান অপরাধ বীজ কুইল cमद्दे दौछ दूक इहेब आtशtछ झजिल । চৈতন্থ চরিতামৃত ।