পাতা:যশোহর-খুল্‌নার ইতিহাস প্রথম খণ্ড.djvu/৯১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

সপ্তম পরিচ্ছেদ-সুন্দরবনের উত্থান ও পতন। ¢ማ মৃত্যুমুখে পতিত হয়। এতদ্বারা খুলনার দক্ষিণস্থিত সুন্দরবনেরও যথেষ্ট ক্ষতি সাধিত হয়। উহার জন্তই মহারাজ প্রতাপাদিত্য স্বীয় রাজধানীর দক্ষিণে যমুনা ও আড়পাঙ্গাসিয়ার নদীদ্বয়ের মধ্যবৰ্ত্তী অংশে এবং উত্তরে কালীগঞ্জ হইতে পূৰ্ব্বমুখে কপোতাক্ষ পর্যন্ত ও পশ্চিমমুখে ভাগীরথী তীরে রায়গড় পর্যন্ত মৃত্তিকার বাঁধ নিৰ্ম্মাণ করিয়া রাজ্য রক্ষার ব্যবস্থা করিয়াছিলেন। ঐ সকল বাধের অনেকাংশ এখনও বর্তমান থাকিয় দর্শকের বিস্ময় উৎপাদন করিতেছে। পরবর্তী ভীষণ ঝটিকা ১৬৮৮ খৃষ্টাব্দে হয়। উহাতে সাগরদ্বীপে ৬০ হাজারেরও অধিক লোক মারা গিয়াছিল। প্রতাপাদিত্যের যুগ পর্য্যন্ত সাগরদ্বীপের উন্নতির সময় ছিল। প্রতাপকে সাগরদ্বীপের শেষ নৃপতি বলিয়া থাকে। প্রতাপের পতনের অব্যবহিত পরে সুন্দরবনের একটি অবনমন হয়, তজ্জন্ত অল্পদিন মধ্যে উহার অবস্থা নিতান্ত খারাপ হইয়া পড়ে। তখন হইতে একশত বৎসর পর্য্যন্ত সাগরদ্বীপের কিছু সৌষ্ঠব ছিল, এই ঝটিকাই তাহার সৰ্ব্বনাশ সাধন করিয়াছিল। ১৭০৭ খৃষ্টাব্দে এক প্রকাও সাইক্লোন বা ঝটিকাবৰ্ত্ত সুন্দরবনের উপর দিয়া প্রবাহিত হয়। উহাতে বৃক্ষাদি ও মনুষ্যজীবনের ভীষণ ক্ষতি করিয়াছিল। সুন্দরবন বা সন্নিহিত প্রদেশে যাহার অধিবাসী ছিল, তাহারা সকলে স্থান ত্যাগ করিয়া উত্তরমুখে পলায়ন করিতেছিল। ১৭৩৭ খৃষ্টাব্দে ভূমিকম্পের সঙ্গে সঙ্গে আর এক ভয়ানক ঝড় হয়। তদ্বারা ইংরাজদিগের কলিকাতা বা হুগলীস্থিত কারখানা সমূহের বিশেষ ক্ষতি হয়। এই ঝড়ের পর সুন্দরবন সম্পূর্ণরূপে মন্থয্যের আবাসমূন্ত হইয় পড়ে। ইহাতে ত্রিশ হাজার লোক মরে এবং গঙ্গার জল ৪০ ফুট উঠিয়াছিল। ১৮৬২ খৃষ্টাব্দে ১৪ মে (১২৬৯ সালের ২রা জ্যৈষ্ঠ ) যশোর-খুলনা ও সুন্দরবনে প্রবল ঝড় হয়, উহাতেও কম ক্ষতি করে নাই, ইহার নাম বিখ্যাত “জ্যৈষ্ঠ ঝড়"। ১৮৬৪ খৃষ্টাব্দের ৫ই অক্টোবর একটি বড় ও তৎসহ প্রবল জলোচ্ছাস হইয়া কলিকাতা ও নিকটবৰ্ত্তী জেলা সমূহের

  • Ain-i Akbari Book III. Gladwin's Edition p. 3o4.
  • Imperial Gazetteer Vol XII p. 110.

Gentleman's Magazine of 1838-39; Proceedings of the Asiatic Society of Bengal for December, 1868, WGato & foot *f; fire foul . *** I see H. B. H's letter to the Englishman 2-7-1897.