ぐ○ゲ যোগবশিষ্ঠ । অনন্তর বাল্যকাল অতি অমঙ্গলা, এজন্য র্তাহার পরির্থনা করিয়া রঘুনাথ মহর্ষি কুশিকনন্দনকে কহিড়েছেন। যথা—(যকৃদোলাকৃতীতি)। অতঃপর, বালের আরো অস্থিরতাধিক্য বর্ণনাদ্বারা রঘুনাথ বিশ্বমিত্রকে কহিতেছেন যথা—(সর্দেষমিতি) । ից যত্র দোলাকৃতি মন পরিস্ফুরতি বৃত্তিষু। ত্ৰৈলোক্যাভব্যমপি তৎকথং ভবতি তুষ্টয়ে। ১২ ৷৷ সৰ্ব্বেষামেবসয়ানাং সৰ্ব্বাবস্থাভ্য এবহি। মনশ্চঞ্চলতামেত্তি বাল্যেদশগুণাং মুনে ॥ ১৩ । f t তদরমাতা নেবেীপপাদয়তি যত্ৰেতাদিন ত্ৰৈলোকোর্ভবা অমঙ্গলং মহুয্যাণামেবাভবা মপিতুস সৰ্ব্বজন্তনানিস্তাহ সৰ্ব্বেষামিতি মনশ্চাঞ্চল্যাতিশয়স্য দুঃখাতিশয় হেতুত প্রসিদ্ধেরিতি ভাবঃ । ১ ২ ৷৷ ১৩ ৷৷ অস্যাগঃ । হে মুনিশাদল ! ত্ৰিলোক মধ্যে জন সকলের সম্যক অভব্য অর্থাৎ অমঙ্গল সম্ভাবন ফাইতে এব যে অবস্থাতে বিষয়বৃত্তিপ্রতি মন দোলায়মান হয়, অর্থাৎ হিতাহিত বিবেচনাশুন্য শ্রবণ দর্শনদি মাত্রেই মনের ব্যগ্রতা জন্মে, এমন বাল্যাবস্থা কি রূপে তুষ্টির নিমিত্ত হইতে পারে ? ॥ ১২ ৷ হে মুনিবৰ্য্য ! এই ত্ৰিলেকীতলস্থ সনস্ত জীবগণের অন্য সম্যক অবস্থাতে বিষয় বিশেষে যেরূপ চিত্তচঞ্চল হয়, তদপেক্ষা দশগুণ প্রমাণে বাল্যাবস্থায় মন চঞ্চল হইয় থাকে {। ১৩ ৷৷ . অনন্তর মন ও অবস্থার চঞ্চল্য বর্ণনা দ্বারা অপরিত্রাণ বিষয়ক দৃষ্টান্তে ঐরামচন্দ্র মুনীন্দ্র বিশ্বামিত্রকে কহিতেছেন। যথা—(ননইতি)। মনঃ প্ৰকৃত্যৈবচলং বাল্যং চঞ্চলতাবয়ং। . তয়ো:সংশ্লিষ্যতন্ত্রাত কইবান্তঃকুচাপলে ॥ ১৪। সংশ্লিষাভোৰ্ম্মিমতেঃ কুচাপলেভৎ প্রযুক্তানৰ্ম্মে ॥ ১৪ ৷৷
পাতা:যোগবাশিষ্ঠ রামায়ণ.djvu/৩৪৫
অবয়ব