“আমার যে দুঃখ, তাহা আপনাকে বলিতে পারি না!”
“আচ্ছা। বলিয়া যাও।”
“আমি জলে ডুবিয়া ভাসিয়া উঠিলাম। একখানা গহনার নৌকা যাইতেছিল। সেই নৌকার লোক আমাকে ভাসিতে দেখিয়া উঠাইল। যে গ্রামে আপনার সহিত সাক্ষাৎ সেইখানে একজন আরোহী নামিল। সে নামিবার সময়ে আমাকে জিজ্ঞাসা করিল, ‘তুমি কোথায় নামিবে?’ আমি বলিলাম, আমাকে যেখানে নামাইয়া দিবে, আমি সেই খানে নামিব। তখন সে জিজ্ঞাসা করিল, ‘তোমার বাড়ী কোথায়?’ আমি বলিলাম, কলিকাতায়। সে বলিল, ‘আমি কালি আবার কলিকাতায় যাইব। তুমি আজ আমার সঙ্গে আইস। আজি আমার বাড়ী থাকিবে। কালি তোমাকে কলিকাতায় রাখিয়া আসিব।’ আমি আনন্দিত হইয়া তাহার সঙ্গে উঠিলাম। সে আমাকে সঙ্গে লইয়া চলিল। তার পর আপানি সব জানেন।”
আমি বলিলাম, “আমি যাহার হাত হইতে তোমাকে মুক্ত করিয়াছিলাম, সে কি সেই?”
“সে, সেই”
আমি রজনীকে কলিকাতায় আনিয়া, তাহার কথিতস্থানে অন্বেষণ করিয়া, রাজচন্দ্র দাসের বাড়ী পাইলাম। সেইখানে রজনীকে লইয়া গেলাম।
রাজচন্দ্র কন্যা পাইয়া বিশেষ আনন্দপ্রকাশ করিল। তাহার স্ত্রী অনেক রোদন করিল। উহারা আমার কাছে