তবে যে এই হরেকৃষ্ণ দাস আমাদিগের মনোহর দাসের ভাই, তদ্বিষয়ে আর সংশয়ের স্থান রহিল না।
পরে মোক্তার আবার জিজ্ঞাসা করিতেছেন,
“তোমার ভাই তোমার পরিবার বা তোমার আর কাহাকে কখন অলঙ্কার দিয়াছে?”
উত্তর—না।
পুনশ্চ প্রশ্ন। সংলার খরচ দেয়?
উত্তর। না।
প্রশ্ন। তবে তোমার কন্যাকে অন্নপ্রাশনে সোণার গহনা দিবার কারণ কি?
উত্তর—আমার এই মেয়েটি জন্মান্ধ। সেজন্য আমার স্ত্রী সর্ব্বদা কাঁদিয়া থাকে। আমার ভাই ও ভাইজ তাহাতে দুঃখিত হইয়া, আমাদিগের মনোদুঃখ যদি কিছু নিবারণ এই ভাবিয়া অন্নপ্রাশনের সময় মেয়েটিকে এই গহনাগুলি দিয়াছিলেন।
জন্মান্ধ! তবে যে সে এই রজনী তদ্বিষয়ে আর সংশয় কি?
আমি হতাশ হইয়া জোবানবন্দী রাখিয়া দিলাম। বলিলাম “আমার আর বড় সন্দেহ নাই।”
বিষ্ণুরাম বলিলেন, “অত অল্প প্রমাণে আপনাকে সন্তুষ্ট হইতে বলি না। আর একটা জোবানবন্দীর নকল দেখুন।”
দ্বিতীয় জোবানবন্দীও দেখিলাম যে, উহাও ঐ কথিত বালা চুরীর মোকদ্দমায় গৃহীত হইয়াছিল। এই জোবানবন্দীতে বক্তা