থেকে বেরিয়ে দেওয়ালের পাশ দিয়ে ছায়ার মত চলেচে, মাটীতে পা পড়ে, কি পড়ে না। ছায়া —ছায়া —ছায়া—
একটা ছোট দরজার কাছে এসে দাঁড়াল। দরজায় চাবি দেওয়া, মেয়েটির হাতে চাবি ছিল, দরজা খুল্তেই আর একটি ছায়া ভিতরে এল, দুটি ছায়া মিশে গেল। দরজার কাছে একটা ধাপ ছিল, দুই জনে তার উপরে বস্ল। দূর থেকে গানের সুর আস্চে।
হঠাৎ দু’জনের গায়ে কোত্থেকে আলো পড়ল! দু’জনে ভয় পেয়ে তাড়াতাড়ি উঠে দাঁড়াল—দু’জনের মুখের উপর আলো—রতি-কাম—
কালো জামা-আঁটা একটা হাত আলোতে এল, মানুষ অন্ধকারে। হাতের ছুরী হাতে চক্মক্ ক’রে উঠল। মেয়েটির কাছে যে সুন্দর যুবা দাঁড়িয়েছিল, তার বুকে ব’সে গেল। একবার অল্প যন্ত্রণার শব্দ, তারপর সে প’ড়ে গেল। মেয়েটি আর্ত্তনাদ ক’রে তার বুকের উপর পড়্ল।
ছুরী আবার উঠ্ল, আবার পড়ল, এবার মেয়েটি একবার কাতরোক্তি ক’রে উঠ্ল। আলো দু-একবার তাদের দু’জনের সর্ব্বাঙ্গে পড়্ল—সব স্থির—রক্ত মাটীতে ব’য়ে যাচ্চে—আলো নিভে গেল—আবার অন্য দুটো ছায়া অন্ধকারে মিলিয়ে গেল—
গানের আওয়াজ এখনো শোনা যাচ্চে, ঘরের ভিতর আলোয় আলো, চারিদিকে হাসি-তামাসা, আর এখানে—এই অন্ধকারে—
কথা বন্ধ হ’য়ে গেল। প্যারীর মাসী আস্তে আস্তে শুয়ে তৎক্ষণাৎ