—জানি।
প্যারীর মাসী স্বপ্নে কি আর কোনো অবস্থায় যেমন দেখেছিল, স্বামীজী সংক্ষেপে সেই সকল কথা বল্লেন। তারপর জিজ্ঞাসা করলেন, এই সব ঘটনা কি সত্য? সেই বাড়ীর সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ আছে?
—ঘটনা সত্য, আর ঐ বাড়ীর সঙ্গে সম্বন্ধও আছে, কিন্তু আপনি জান্লেন কেমন ক’রে? তবে আপনারা সর্ব্বদর্শী, আপনাদের কাছে ভূত ও বর্ত্তমান সমান।
—যদি পূর্ব্বের কথা আমাদের বলেন, তা হ’লে আমাদের কৌতূহল নিবৃত্তি হয়।
বৃদ্ধ বল্লেন, মোগলের রাজ্যকালে ঐ বাড়ীতে কোনো ধনী মোগল বাস কর্ত। কয়েক পুরুষ কাটায়। সকলেই দেখ্তে সুপুরুষ, কিন্তু দুর্ব্বৃত্ত ও ঘোর অত্যাচারী। দুই ঘটনাই ঐ বাড়ী-সংক্রান্ত। কিছু দূরে একটা ছোট পাহাড় ও নদী আছে।
গ্রাম থেকে চাল, মুগের ডাল, ঘি, গোটাকতক আলু আর খানকতক কাঠ নিয়ে আসা গেল। সেই সঙ্গে একটা নতুন হাঁড়ি। দেখে প্যারীর মাসী বল্লে, ভাতে-ভাত হবে?
স্বামীজী বল্লেন, যাকে বলে ঘৃতপক্ক, তাকেই বলে ভাতে-ভাত।
ভরতপুরের কাছে এসে আমরা শুন্লাম, পরমহংস কোথায় পরিব্রজা করতে গিয়েছেন, মাসকতক ফিরবেন না। সেখান থেকে আমরা কুরুক্ষেত্রে গেলাম। কুরুক্ষেত্রে মেলায় বিস্তর লোকের সমাগম, আমরা একটা বাসা দেখে নিয়ে জনতার ভিতর ঘুরে বেড়ালাম। এক জায়গায় দেখি, একটা গাছতলায় তিন জন সাধু ব’সে মাথা হেঁট ক’রে কি কর্ছে। তাদের মাথা-মুখ কামানো, কৌপীন-আঁটা, গায়ে এক