পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/১২২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সমালোচনা So S পৃথিবীর বুদ্ধি পাইয়া আলোকিত হয়। দ্বিতীয় ভাগে যাহাকে সম্ভাষণ করিতেছেন, তাহার কারণ আলোচনা করিতে গিয়া কবি সময়ের সংখ্যা গণনা করেন নাই, নিৰ্ম্মাণের উপাদান উল্লেখ করেন নাই। এইবার তিনি কহিতেছেন— Out of the deep, my child, out of the deep, From that great deep, before our world begins, Whereon the Spirit of God moves as he will— Out of the deep, my child, out of the deep, From that true world within the world we see, Whereof our world is but the bounding shore— Out of the deep, Spirit, out of the deep, With this ninth moon, that sends the hidden sun Down yon dark sea, thou comest, darling boy. এবার কবি যে সমুদ্রের কথা উল্লেখ করিয়াছেন, তাহা আলোকের সমুদ্র নহে, অতীত বা ভবিষ্যৎ কালের দিকে তাহার উপকূল নাই, তাহা তিন কাল মগ্ন করিয়া বিরাজ করিতেছে । জগতের আত্মাকে তিনি উল্লেখ করিতেছেন । জগতের অন্তরস্থিত যথার্থ জগতের কথা বলিতেছেন । বাহ জগং সেই অন্তর্জগতকে সীমাবদ্ধ করিয়া রাখিয়াছে মাত্র । Out of the deep, Spirit, out of the deep, With this ninth moon, that sends the hidden sun Down yon dark sea, thou comest, darling boy. সেই সমুদ্র হইতে তুমি আসিতেছ। জ্যোতিৰ্ম্ময় স্বৰ্য্যকে সমুদ্রতলে বিসর্জন দয়া ক্ষীণালোকে চন্দ্র উদিত হইল। তাহার সঙ্গে সঙ্গে তুমিও উদিত হইলে, তুমিও মহা-জ্যোতিকে বিসর্জন করিয়া আসিলে। পূৰ্ব্বে যে মনুষকে কবি সম্ভাষণ করিয়াছিলেন, সে অপরিস্ফুটতর অবস্থা হইতে পরিস্ফুটত প্রাপ্ত হইয়াছে, এবারে যে আত্মাকে সম্ভাষণ করিতেছেন সে পূর্ণ অবস্থা হইতে অপূর্ণতা প্রাপ্ত হইয়াছে। For in the world, which is not ours, They said ‘Let us make man’ and that which should be man, From that one light no man can look upon, Drew to this shore lit by the suns and moons And all the shadows. কি মহা রহস্য-পূর্ণ উক্তি ! কিছুই স্থির করিতে পারিতেছি না, কিছুরই সীমা পাইতেছি না । “সে জগৎ আমাদের নহে।” সে কোন জগৎ ? কে জানে কোন