পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৬১৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(**२ রবীন্দ্র-রচনাবলী ۰ه د বাঙ্গলার সিঙ্কোনা-কৃষিক্ষেত্র সংখ্যায় দুইটি ; তাহার মধ্যে যেটি প্রাচীনতর সেটি রিয়াঙ্গ উপত্যকার দুই পাশ্বে মংপোতে অবস্থিত। ঐ উপত্যকার নদীটি তিস্তা ভ্যালি রেলওয়ের রিয়াঙ্গ ষ্টেশনে তিস্তার সহিত যুক্ত হইয়াছে। ঐ কৃষিক্ষেত্র ১৮৬৪ খ্ৰীষ্টাব্দে স্থাপিত হয়, এবং বর্তমানে কুইনাইন প্রস্তুত করিবার যে কারখানা আছে তাহা উহারই মধ্যে । কিন্তু ঐ ক্ষেত্রটি এখন ব্যবহার দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত হইয়া গিয়াছে এবং উহাকে অনেক পরিমাণে পুনর্বনান্বিত করা হইয়াছে। যত দিন পর্য্যন্ত না ঐ বন বাড়িয়া উঠিবে, পুনৰ্ব্বার পরিষ্কৃত হইবে এবং নূতন সিঙ্কোনা বৃক্ষগুলি পরিণতি প্রাপ্ত হইবে, তত দিন উহা কাজে লাগাইবার উপযুক্ত পরিমাণে গাছের ছাল জোগাইতে পারিবে না । S S > অতএব আরও দশ কি পনেরো বৎসর মংপো কৃষিক্ষেত্র হইতে আবশ্যকমতো সরবরাহের আশা করা নিম্প্রয়োজন । সৌভাগ্যক্রমে, তখনকার সিঙ্কোনা-কৃষিপরিদর্শক Sir David Prain-এর দূরদর্শিতা ইহার প্রতিকার করিয়া রাখিয়াছিল এবং ১৯০০ খ্ৰীষ্টাব্দে, দাৰ্জিলিঙের কালিম্পং সাবডিভিসনে তিস্তা নদীর পূর্বদিকে একটি নূতন কৃষিক্ষেত্রের স্বচনা করা হইয়াছিল। এই ক্ষেত্রটিতে প্রায় ৯০০০ একর জমি আছে এবং ইহা একদা ঘন বনাচ্ছন্ন ছিল । কর্ষণের পক্ষে অধিকতর উপযোগী ভূমির অনেকাংশই পরিষ্কার করা হইয়াছে এবং এখন মংপো কারখানাতে যত গাছের ছাল ব্যবহৃত হয়, তাহার অধিকাংশই এই মনসঙ্গ কৃষিক্ষেত্র নামে বিদিত স্থান হইতে আসে । 〉 s & আমাদের ভ্রমণকারিগণ পুনৰ্ব্বার অশ্বারোহণ করিয়া পাৰ্ব্বত্য প্রদেশাভিমুখে যাত্রা করিয়াছেন ; এইবার একটি তরুণ সেনানায়কের অধীনে অশ্বারোহী-দলের অনেকগুলি সৈন্য র্তাহাদের সংখ্যাবৃদ্ধি করিয়াছে। র্তাহারা দস্থ্যর দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করিতে যাইতেছেন বলিয়া সৌজন্য-সহকারে এই শরীররক্ষীর দল তাহাদিগকে দান করা হইয়াছে। সুন্দর একটি ছোটাে ঘোড়ায় চড়িয়া ঐ ষে হিংস্ৰমূৰ্ত্তি ব্যক্তি সমস্ত বাহিনীটিকে পথ দেখাইয়া যাইতেছে, ও কে,—এই কি তোমার প্রশ্ন ? ঐ ব্যক্তি QFGTI f(TfE TRJ, TTT Andrea Puzzu, S শুধু দস্থ্য নয়, সৰ্ব্বাপেক্ষ অপকৃষ্ট