পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৬৫৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


উম্রি নদীর ঝর্ণা দেখতে যাব । শ্রাবণ মাসের বাদলা । সহজ পাঠ শিংগুলি সব অঁাক বাক৷ গায়েতে দাগ চাকা চাকা, লুটিয়ে তারা পড়বে ভুয়ে পায়ের কাছে এসে, ওরা সবাই আমায় বোঝে, করবে না ভয় একটুও-যে, হাত বুলিয়ে দেব গায়ে, বসবে কাছে ঘেঁসে । ফলসাবনে গাছে গাছে ফল ধ’রে মেঘ ঘনিয়ে আছে, ঐখানেতে ময়ুর এসে নাচ দেখিয়ে যাবে । শালিখরা সব মিছিমিছি লাগিয়ে দেবে কিচিমিচি, কাঠবেড়ালি ল্যাজটি তুলে’ হাত থেকে ধান খাবে । ৩৬ষ্ট পাউচ \ుర్ఫీ দিনটা বড়ো বিশ্ৰী । শুনছ, বজের শব্দ ? উত্তিতে বান নেমেছে। জলের স্রোত বড়ে দুরন্ত । অবিশ্রান্ত ছুটে চলেছে। অনন্ত, এসে একসঙ্গে যাত্রা করা যাক। আমাদের দু-দিন মাত্র ছুটি । কলেজের ছাত্রেরা গেছে ত্রিবেণী, কেউ বা গেছে আত্রাই । সাত্রাগাছির কান্তি মিত্র যাবে আমাদের সঙ্গে উন্ত্রির ঝর্ণায় । শাস্ত কি যেতে পারবে । আশ্রয় নেব । সে হয়তো শ্রান্ত হয়ে পড়বে। সঙ্গে খাবার অাছে তো ? পথে য সন্দেশ দ জল নামে মিশ্রদের বাড়ি আছে পান্তোয়া আছে বোদে আছে । আমাদের কান্ত চাকর শীঘ্র কিছু খেয়ে নিকু। তার খাবার আগ্রহ সে ভোরের বেলায় পাস্ত ভাত খেয়ে বেরিয়েছে। তার বোন ক্ষান্তমণি তাকে খাইয়ে দিলে । দেখিনে ।