পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৭৪৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


१२२ রবীন্দ্র-রচনাবলী ৭•, কলুটোল ষ্ট্রট হিতবাদী লাইব্রেরী হইতে মনোরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় কর্তৃক প্রকাশিত হইয়াছিল। অাদর্শ প্রশ্ন “জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপকভাবে বিস্তাবিতরণে”র উদ্দেশুে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী লোকশিক্ষাসংসদের পাঠ্যতালিকা অবলম্বনে রচিত “আদর্শ প্রশ্ন’ ১৯৪০ সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত হয়। প্রশ্নপত্রের ধারা-পরিবর্তন সম্বন্ধে, ‘অাদর্শ প্রশ্নে’র ভূমিকায় লিখিত আছে— “...প্রশ্ন করিয়া লিখিত উত্তরের যোগে পরীক্ষক যে পরীক্ষার্থীর বিদ্যার পরিচয় গ্রহণ করিবেন ইহার মধ্যে একটি গুরুতর অসংগতি আছে। প্রচলিত পরীক্ষাগুলিতে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ সম্বন্ধ সচরাচর ঘটে না—ইহাই অসংগতি । প্রশ্নপত্রের সাংকেতিক ভাষা পরীক্ষকের মর্মজ্ঞ অধ্যাপকের সাহায্যে পরীক্ষার্থীর বোধগম্য হইয়া থাকে। কোন প্রশ্নের কী-উত্তর লিখিতে হয় সে-বিষয়ে তাহার কিছু জ্ঞান থাকে। এইরূপে পূর্বোক্ত অসংগতির আংশিক লাঘব হয়। কিন্তু বিদ্যালয়সংস্পৰ্শ-বঞ্জিত পরীক্ষার্থীর পরীক্ষকের মর্মজ্ঞ এরূপ কোনো মধ্যবর্তী সহায় না থাকায় বর্তমান পরীক্ষাপ্রণালীর অবশ্যম্ভাবী অসংগতির দূরীকরণ দুঃসাধ্য। এই অবস্থা বিবেচনা করিয়া রবীন্দ্রনাথ ভাবিলেন যে প্রশ্নের ভাষায় যদি এমন কোনো গৃঢ় সংকেত না থাকে যাহা কেবলমাত্র বিদ্যালয়ে বিদ্যাভ্যাস করিলেই বোঝা যায়, তাহা হইলে প্রশ্নপত্রের সাহায্যে পরীক্ষা করার পদ্ধতি কথঞ্চিৎ সংগতৰূপে প্রচলিত হইতে পারে । এই জন্যই এই পুস্তকে প্রদত্ত প্রশ্নের নমুনা বিশেষ করিয়া লক্ষ্য করিবার বিষয়। প্রশ্নগুলির দৈর্ঘ্য সনাতন নিয়মে অভ্যস্ত পরীক্ষার্থীর দৃষ্টিতে আশঙ্কাজনক বোধ হইলেও অপরের পক্ষে খুবই সহজবোধ্য হইবে।” ‘আদর্শ প্রশ্নে’র পরিশিষ্টে, ১৯০৬ খ্ৰীষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত জাতীয়-শিক্ষা-পরিষৎ বা ন্যাশনাল কাউন্সিল অব এডুকেশন কর্তৃক অনুষ্ঠিত পরীক্ষার জন্য রবীন্দ্রনাথ-কৃত প্রশ্নপত্রাবলী মুদ্রিত &##| | Fifth Standard Examination wsstätta এনট্রান্স *f, *. Seventh Standard Examination sofora of 5 with পরীক্ষার সমতুল্য। শিক্ষা-পরিষদের বর্তমান অধ্যক্ষ ডক্টর গ্ৰহীরালাল রায় এই প্রশ্নপত্রাবলীর এক খণ্ড আমাদের ব্যবহারের জন্ত দিয়াছেন ।