পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) প্রথম খণ্ড.pdf/১১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বন-ফুল পরাণ হইতে অগ্নি নিভিবে না আর বনে ছিলি বনবালা সে ত বেশ ছিলি— জালালি – জলিলি বোন ! খুলি মর্শদ্বার— কাদিতে করিগে যত্ব যেখা নিরিবিলি ।” কমলা চাহিয়া রয়, নাহি বহে শ্বাস । হৃদয়ের গুঢ় দেশে অশ্রুরাশি মিলি ফাটিয়া বাহির হতে করিল প্রয়াস– কমলা কহিল ধীরে “জালালি জলিঙ্গি !” আবার কহিল ধীরে, আবার হেরিল নীরে যমুনাতরঙ্গে খেলে পূর্ণ শশধর— তরঙ্গের ধারে ধারে রঞ্জিয়া রজতধারে স্বনীল সলিলে ভাসে রজন্ময় কর । হেরিল আকাশ-পানে স্থনীল জলদযানে ঘুমায়ে চন্দ্রিম চালে হাসি এ নিশীথে । কতক্ষণ চেয়ে চেয়ে পাগল বনের মেয়ে আকুল কত কি মনে লাগিল ভাবিতে ।

  • ওই খানে আছে পিতা, ওই খানে আছে মাতা,

ওই জ্যোৎস্নাময় চাদে করি বিচরণ দেখিছেন হোথা হোতে দাড়ায়ে সংসারপথে কমলা নয়নবারি করিছে মোচন । একি রে পাপের অশ্র ? নীরদ আমার— নীরদ আমার যথা আছে লুকাস্থিত, সেই খান হোতে এই আশ্রবারিধার পূর্ণ উৎস-সম আজ হ’ল উৎসারিত। ԵrՖ