পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) প্রথম খণ্ড.pdf/৩৭৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


`e&२ ब्रयौठल-ब्रक्रमांबलौ ভাবে পায়, আমিই কেবল বাহাকে সৰ্ব্বতোভাবে উপভোগ করিতে পাই, তাহাই অামার । আমি । পৃথিবীতে এমন কি পদার্থ আছে, বাহাকে আমরা সৰ্ব্বতোভাবে উপভোগ করিতে পারি ? কোনটার প্রাণ, কোনটার শব্দ, কোনটার স্বাদ, কোনটার দৃগু, কোনটার স্পর্শ আমরা ভোগ করি, অথবা একাধারে ইহাদের দুই-তিনটাও ভোগ করিতে পারি। কিম্বা হয়ত ইহাদের সকলগুলিকেই এক পদার্থের মধ্যে পাইলাম, কিন্তু তবু তাহাকে সৰ্ব্বতোভাবে উপভোগ করিতে পারি কই ? জগতে আমরা কিছুই সৰ্ব্বতোভাবে জানি না, একটি তৃণকেও না— তবে সৰ্ব্বতোভাবে ভোগ করিব কি করিয়া ? কে বলিতে পারে আমাদের যদি আর একটি ইন্দ্রিয় থাকিত তবে এই তৃণটির মধ্যে দৃষ্টি স্বাদ গন্ধ স্পর্শ প্রভৃতি ব্যতীতও আরো অনেক উপভোগ্য গুণ দেখিতে না পাইতাম ? তুমি । তুমি অত স্থক্ষ্মে গেলে চলিবে কেন ? “সৰ্ব্বতোভাবে উপভোগ করা’র অর্থ এই যে, মাহুষের পক্ষে যত দূর সম্ভব তত দূর উপভোগ করা। আমি। এ স্থলে তুমি উপভোগ শব্দ ব্যবহার করিয়া অতিশয় ভ্ৰমাত্মক কথা কহিতেছ। প্রচলিত ভাষায় স্বত্ব থাকা, উপভোগ করা, উভয়ের এক অর্থ নহে । মনে কর এক জন হতভাগ্য নিজে ভাঙ্গা ঘরে কুত্র পদার্থের মধ্যে বাস করে ও গৌরাঙ্গ প্রভুজের জন্য একটি অট্টালিকা ভাল ভাল ছবি, রঙ্গীন কাপে ট ও ঝাড়লণ্ঠন দিয়া স্থসজ্জিত করিয়া রাখিয়াছে— সে অট্টালিকা, সে ছবি, সে উপভোগ করে না বলিয়াই কি তাহ তাহার নহে ? তুমি। উপভোগ করে না বটে, কিন্তু ইচ্ছা করিলেই করিতে পারে। জামি। সে কথা নিতান্তই ভুল, যদি সে কোন অবস্থায় ছবি উপভোগ করিতে পারিত তবে তাহা নিজের ঘরেই টাঙ্গাইত। মূর্খ একটি বই কিনিয়া কোন মতেই তাহা বুঝিতে না পারুক, তথাপি সে বইটিকে আপনার বলিতে সে ছাড়িবে না। তুমি। আচ্ছ, উপভোগ করা চুলায় যাউক। যে বস্তুর উপর সর্বসাধারণের অপেক্ষ তোমার অধিক ক্ষমতা খাটে, ষে বইটিকে তুমি ইচ্ছা করিলে অবাধে পোড়াইতে পার, রাখিতে পার, দান করিতে পার, অস্তের হাত হইতে কাড়িয়া চাইতে পার, তাহাতেই তোমার অধিকার আছে । জামি। তবুও কথাটা ঠিক হইল না। শারীরিক ক্ষমতাকেই ত ক্ষমতা বলে बा । थांबनिक कथङ डक्ट*ांचक छेछछावनैौइ । ठांश बषि चौकांब्र कब्र, डांश एहेरण তোমার ভ্রম সহজেই দেখিতে পাইবে। তুমি অরসিক, তোমার বাগানের গাছ হইতে