পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) প্রথম খণ্ড.pdf/৩৮০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


विविथ ●धंनछ ©¢ፃ দিকে বিক্ষিপ্ত করিয়া দেয়, বর্ষ তাহাকে এক স্থানে ঘনীভূত করিয়া রাখে। বসন্তে আমাদের মন অন্তঃপুর হইতে বাহির হইয়া যায়, বাতাসের উপর ভাসিতে থাকে, ফুলের গন্ধে মাতাল হইয়া জ্যোংস্কার মধ্যে ঘুমাইয় পড়ে ; আমাদের মন বাতাসের মত, ফুলের গন্ধের মত, জ্যোৎস্কার মত, লঘু হুইয়া চারি দিকে ছড়াইয়া পড়ে। বসন্তে বহির্জগৎ গৃহদ্বার উদঘাটন করিয়া জামাদের মনকে নিমন্ত্ৰণ করিয়া লইয়া যায়। বর্ষায় আমাদের মনের চারি দিকে বৃষ্টিজলের যবনিক টানিয়া দেয়, মাথার উপরে মেঘের চাদোয়া খাটাইয়া দেয় । মন চারি দিক হইতে ফিরিয়া আসিয়া এই ধবনিকার মধ্যে এই চাদোয়ার তলে একত্র হয়। পাখীর গানে আমাদের মন উড়াইয়া লইয়া যায়, কিন্তু বর্ষার বন্দ্রসঙ্গীতে আমাদের মনকে মনের মধ্যে স্তম্ভিত করিয়া রাখে। পাখীর গানের মত এ গান লঘু, তরজময়, বৈচিত্র্যময় নহে ; ইহাতে স্তৰু করিয়া দেয়, উচ্ছসিত করিয়া তুলে না। অতএব দেখা যাইতেছে, বর্ষাকালে আমাদের “আমি” গাঢ়তর হয়, আর বসন্তকালে সে ব্যাপ্ত হইয়া পড়ে । এখন দেখা যাক, বসন্তকালের বিরহ ও বর্ষাকালের বিরহে প্রভেদ কি । বসস্তকালে আমরা বহির্জগৎ উপভোগ করি ; উপভোগের সমস্ত উপাদান আছে, কেবল একটি পাইতেছি না ; উপভোগের একটা মহা অসম্পূর্ণতা দেখিতেছি। সেই জন্যই আর কিছুই ভাল লাগিতেছে না। এত দিন আমার স্থখ ঘুমাইয়াছিল, আমার প্রিয়তম ছিল না ; আমার আর কোন স্বখের উপকরণও ছিল না। কিন্তু জ্যোৎস্না, বাতাস ও স্বগদ্ধে মিলিয়া ষড়যন্ত্ৰ করিয়া আমার স্থখকে জাগাইয়া তুলিল ; সে জাগিয়া দেখিল ভাহার দারুণ অভাব বিদ্যমান। সে কাদিতে লাগিল । এই রোদনই বসন্তের বিরহ । দুভিক্ষের সময় শিশু মরিয়া গেলেও মায়ের মন অনেকটা শাস্তি পায়, কিন্তু সে বাচিয়া থাকিয় ক্ষুধার জালায় কাদিতে থাকিলে তাহার কি কষ্ট ! বর্ষাকালে বিয়হিণীর সমস্ত “আমি” একত্র হয়, সমস্ত “আমি” জাগিয়া উঠে ; দেখে ষে বিচ্ছিন্ন “আমি”, একক “আমি” অসম্পূর্ণ। সে কাদিতে থাকে। সে তাহার নিজের অসম্পূর্ণতা পূর্ণ করিবার জন্ত কাহাকেও খুজিয়া পায় না। চারি দিকে বৃষ্টি পড়িতেছে, অন্ধকার করিয়াছে ; কাহাকেও পাইবার নাই, কিছুই দেখিবার নাই ; কেবল বসিয়া বসিয়া অস্তর্দেশের অন্ধকারবাসী একটি অসম্পূর্ণ, সঙ্গীহীন । “আমি”র পানে চাহিয়া চাহিয়া কাদিতে থাকে। ইহাই বর্ষাকালের বিরহ । বসন্তকালে রিহিণীর জগৎ অসম্পূর্ণ, বর্ষাকালে বিরছিণীর “স্বয়ং” অসম্পূর্ণ। বর্ষাকালে আমি আত্মা চাই, বসন্তকালে আমি স্থখ চাই। সুতরাং বর্ষাকালের বিরহ গুরুতর। ५ दिब्रट्र cषोदन बक्म थङ्कडि किङ्ग नाहे, ऐश बचभङ नरश् । बक्रमब्र नब्र बनाउब्र