পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) প্রথম খণ্ড.pdf/৩৯৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


७१२ ब्रदौटअ-ब्रछनांबली মাছ ধরা উপরের কথা হইতে একটা দৃষ্টান্ড জামার মনে পড়িতেছে। ভাবের সরোবরে জামরা জাল ফেলিয়া মাছ ধরিতে পারি না ; ছিপ ফেলিয়া ধরিতে হয় । মাছ ধরিবার জাল আবিষ্কার হয় নাই ; জানি না, কোন কালে হুইবে কি না । ছিপ ফেলিয়া বসিয়া আছি, কখন মাছ আসিয়া ঠোকৃরায় ; কিন্তু ঠোকুরাইলেই হইল না, মাছকে ডাঙ্গায় তোলাই আসল কাজ। জলের মধ্যে অনেক ভাব কিলবিল করিয়া থাকে, কিন্তু তাহাদের ডাঙ্গায় উঠাইয়া তোলা সাধারণ ব্যাপার নহে। ঠোক্রাইল, बैंप्लचेि लांश्रेिल मा ; वैज्जलेि जांश्रेिल, हिंग्निन्त्री श्रृंलांझेल ! चानक प्रांझ शङकर्थ छटल আছে, যতক্ষণ খেলাইতেছি, ততক্ষণ মনে হইতেছে প্রকাও ; তুলিয়া দেখি, যত বড় মনে হইয়াছিল তত বড়টা নয়। ভাব আকর্ষণ করিবার জন্ত কত প্রকার চার ফেলিতে হয়, কত কৌশল করিতে হয়, তাহা ভাবব্যবসায়ীরা জানেন । জল নাড়া ন পায়, খুব স্থির থাকে ; ভাব যখন বড়শিবিদ্ধ হইল, তবুও জোর করিতেছে, উঠিতেছে না, তখন যেন অধীর হইয়া টানাহেঁচড়া করিয়া উঠাইবার চেষ্টা না করা হয়— তাহা হইলে স্থত ছিড়িয়া যায়— যথেষ্ট খেলাইয়া আয়ত্ত করিয়া তুলিবে । আমরা পরের মনঃসরোবর হইতেও মাছ তুলিয়া থাকি। আমার এক সহচর আছেন, তাহার পুষ্করিণী অাছে কিন্তু ছিপ নাই। অবসরমত আমি তাহার মন হইতে মাছ ধরিয়া থাকি, খ্যাতিটা আমার । নানা প্রকার কথোপকথনের চার ফেলিয়া তাহার মাছগুলাকে আকর্ষণ করিয়া আনি ও খেলাইয়া খেলাইয়া জমিতে তুলি। ইচ্ছার দাম্ভিকতা এক জন কবি স্মৃতি সম্বন্ধে বলিতেছেন যে, জীবনের প্রতি বিধাতার এ কি অভিশাপ যে, কাহারে প্রতি জহুরাগ বা কোন একটা প্রবৃত্তি জুলিয়া বাওরা যখন অামাদের আবশ্যক হয়— মহত্তর উন্নততর প্রশাস্ততর কৰ্ত্তব্য আসিয়া যখন আদেশ कट्द्र ‘डूजिग्रा बांe'- उथन चांभद्रा फूनि मा ; किरू थठि मूहू6, अठि शिम, नामांछ ঘটনার তুচ্ছ ধূলিকণাসমূহ আনিয়া আমাদের স্বতি ঢাকিয়া দেয় ও অবশেষে আমরা