পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) প্রথম খণ্ড.pdf/৩৯৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ԾԳՎց রবীন্দ্র-রচনাবলী

  • चांश बांछैिब्र श्रांश्श !* किरू हेहांब्रां कि जांभांछ जहक्कांग्रैौ ! यथखङ एहेरज cजांरक বে কারণে কাজে না, হাসে, ইহারাও সেই কারণে বিনয়বাক্য বলিয়া থাকে। ইহার কোনমতেই জুলিতে পারে না যে, ইহাদের বাসস্থান প্রাসাদ, কুটীয় নহে । এ অহঙ্কার সৰ্ব্বদাই ইহাদের মনে জাগরূক থাকে। এই নিমিত্ত ইহাদিগকে সারাক্ষণ শশব্যস্ত হইয়া থাকিতে হয়, পাছে বিনয়ের অভাব প্রকাশ পায় । অভ্যাগত আসিলেই তাড়াতাড়ি ডাকিয়া বলিতে হয়, “মহাশয়, এ কুটার, প্রাসাদ নহে ।” তেমন বৃষ যদি কেহ থাকে তবে এই অহঙ্কারী মশাদের বলে, “বাপু হে, তুমি ৰে এতক্ষণ আমার শিঙ্গে বসিয়াছিলে, তাহ আমি মূলে জানিতেই পারি নাই, ভেঁ ভো করিতে আসিয়াছ বলিয়া এতক্ষণে টের পাইলাম। তোমার এ বাড়িটা প্রাসাদ কি কুটার, সে বিষয়ে আমি মুহূর্তের জন্ত ভাবিও নাই, আমার নজরেই পড়ে নাই, অতএব ও কথা তুলিবার আবশুক কি ?’ আমাদের দেশে উক্ত প্রকার অহঙ্কারী বিনয়ের অত্যন্ত প্রাচুর্তাব। মুকণ্ঠ বলেন “আমার গলা নাই”, স্থলেখক বলেন “আমি ছাই ভষ্ম লিখি”, স্বরূপসী বলেন “এ পোড়ামুখ লোকের কাছে দেখাইতে লঙ্গ করে” ! এ ভাবটী দূর হইলেই ভাল হয়। ইহাতে না অহঙ্কার ঢাকা পড়ে, না সরলতা প্রকাশ হয়! আর, এই সামান্য উপায়েই যদি বিনয় করা যাইতে পারে, তবে ত বিনয় খুব শস্ত !

আসল কথা এই যে, “বিনয়রচন” বলিয়া একটা পদার্থ মূলেই নাই। বিনয়ের মুখে কথা নাই, বিনয়ের অর্থ চুপ করিয়া থাকা । বিনয় একটা অভাবাত্মক গুণ। আমার যে অহঙ্কারের বিষয় অাছে এইটে না মনে থাকাই বিনয়, আমাকে যে বিনয় প্রকাশ করিতে হুইবে এইটে মনে থাকার নাম বিনয় নহে। যে বলে ‘জামি দরিদ্র’ সে বিনয়ী নহে ; ষে স্বভাবতই প্রকাশ করে না যে ‘আমি ধনী’ সেই বিনয়ী। যাহার বিনয়বাক্য বলিবার আবশ্বক পড়ে না সেই বিনয়ী। তবে কি না, বিদেশী ভাষা শিখিতে হইলে ব্যাকরণ পড়িতে হয়, অভিধান মুখস্থ করিতে হয় ; বিনয় যাহাদের পক্ষে বিদেশী, তাহাদিগকে বিনয়ের অভিধান মুখস্থ করিতে হয়। কিন্তু এই প্রকার মুখস্থ বিনয় সংসারের একৃজামিন পাস করিতেই কাজে দেখে, পরীক্ষাশালার বাহিরে কোন কাজে লাগে না ।