পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) প্রথম খণ্ড.pdf/৪২৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8 e 8 রবীন্দ্র-রচনাবলী নলিনী। (তাড়াতাড়ি চোখ মুছিয়া হাসিয়া উঠিয়া ) কই, কাচি কই ? ফুলি। আমি মনে করেছিলুম, তুমি কাদচ ! নবীনের প্রবেশ নলিনী। ঐ ৰে নবীন এয়েচে, চল ওর কাছে ঘাই ! ( কাছে জাসিয়া ) আজ বে তুমি এত জেরি করে এলে ? নবীন। (হাসিয়া ) একটুখানি তিরস্কার পাবার ইচ্ছে হয়েছিল। আমি দেরি ক’রে এলে তোমারও ষে দেরি মনে হয় এটা মাঝে মাঝে শুনতে ভাল লাগে । নলিনী। বটে ! তিরস্কারের সুখটা একবার দেখিয়ে দেব। ক্ষে ত ফুলি, ওর গায়ে একটা কাটা ফুটিয়ে দে ত । 鸭 নবীন। ও যন্ত্রণাটা ভাই এক রকম সওয়া আছে। ওতে আর বেশী কি হ’ল ? ওটা ত আমার দৈনিক পাওনা ! যতগুলি কাট৷ এইখেনে ফুটিয়েছ, সবগুলি যত্ব ক’রে প্রাণের ভিতর বিধিয়ে রেখেচি– তার একটিও ওপড়ায় নি, আর স্বায়গা কোথায় ? নলিনী । ও বডড কথা কচ্চে ফুলি— দে ত ওকে সেই গানটা শুনিয়ে । ফুলির গান পিলু ও কেন ভালবাসা জানাতে আসে ওলো সজনি ! হাসি খেলি রে মনের স্বখে, ও কেন সাথে ফেরে আঁধারমুখে मि ब्रखनैौ ! নবীন। আমারও ভাই একটা গান আছে, কিন্তু গলা নেই। কি দুঃখ । প্রাণের মধ্যে গান আকুল হয়ে উঠেচে, কেবল গলা নেই বলে কেউ একদগু মন দিয়ে শুনবে मा ! किरू श्रजांफेहेि कि नद इ'ज ? नांनफै कि किडूहे मग्न ? त्रांनकै उमरठहे हटद । কালাংড়া ভালবাসিলে যদি সে ভাল না বাসে কেন সে দেখা দিল । মধু অধরের মধুর হালি প্রাণে কেন বয়বিল ! مي " "