পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) প্রথম খণ্ড.pdf/৫০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রবীন্দ্র-রচনাবলী দেখি যবে অতি শাস্ত জোছনায় মজি নীরবে সমস্ত ধরা রয়েছে ঘুমায়ে, নীরবে পরশে দেহ বসন্তের বায়, জানি না কি এক ভাবে প্রাণের ভিতর উচ্ছ্বসিয়া উথলিয়া উঠে গো কেমন ! কি যেন হারায়ে গেছে খুজিয়া না পাই, কি কথা ভুলিয়া যেন গিয়েছি সহসা, বলা হয় নাই যেন প্রাণের কি কথা, প্রকাশ করিতে গিয়া পাই না তা খুজি । কে আছে এমন যার এহেন নিশীথে, পুরাণে স্বখের স্বতি উঠে নি উথলি ! কে আছে এমন যার জীবনের পথে এমন একটি স্থখ যায় নি হারায়ে, যে হারা-সুখের তরে দিবা নিশি তার হৃদয়ের এক দিক শূন্য হোয়ে অাছে। এমন নীরব-রাত্রে সে কি গো কখনো ফেলে নাই মৰ্ম্মভেদী একটি নিশ্বাস ? কত স্থানে আজ রাত্রে নিশীথপ্রদীপে উঠিছে প্রমোদধ্বনি বিলাসীর গৃহে । মুহূৰ্ত্ত ভাবে নি তারা আজ নিশীথেই কত চিত্ত পুড়িতেছে প্রচ্ছন্ন অনলে । কত শত হতভাগা আজ নিশীথেই হারায়ে জন্মের মত জীবনের স্থখ মৰ্ম্মভেদী যন্ত্রণায় হইয়া অধীর একেলাই হা হা করি বেড়ায় ভ্ৰমিয়া ! ঝোপে-বাপে ঢাকা ওই অরণ্যকুটার। বিষঃ নলিনীবালা শূন্য নেত্র মেলি টাদের মুখের পানে রয়েছে চাহিয়া !