পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) প্রথম খণ্ড.pdf/৫৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রবীন্দ্র-রচনাবলী সমস্ত জগৎ যবে গাহে গো সঙ্গীত, তখন ত তোরা নিজ বিজন কুটীরে ক্ষুদ্রতম আপনার মনের বিষাদে সমস্ত জগৎ ভুলি কঁাদিস না বসি ! জগতের, প্রকৃতির ফুল্ল মুখ হেরি আপনার ক্ষুদ্র দুঃখ রহে কি গো অার ? ধীরে ধীরে দূর হোতে আসিছে কেমন বসন্তের সুরভিত বাতাসের সাথে মিশিয়া মিশিয়া এই সরল রাগিণী । একেক রাগিণী আছে করিলে শ্রবণ মনে হয় অামারি তা প্রাণের রাগিণী— সেই রাগিণীর মত আমার এ প্রাণ, আমার প্রাণের মত যেন সে রাগিণী । কখন বা মনে হয় পুরাতন কাল এই রাগিণীর মত আছিল মধুর, এমনি স্বপনময় এমনি অ-ফুট— তাই শুনি ধীরি ধীরি পুরাতন স্মৃতি প্রাণের ভিতরে যেন উথলিয়া উঠে !” ক্রমে কবি যৌবনের ছাড়াইয়া সীমা, গম্ভীর বাৰ্দ্ধক্যে আসি হোলো উপনীত ! সুগম্ভীর বুদ্ধ কবি, স্বন্ধে আসি তার পড়েছে ধবল জটা অযত্নে লুটায়ে ! মনে হোত দেখিলে সে গম্ভীর মুখঐ হিমাদ্রি হোতেও বুঝি সমুচ্চ মহান! নেত্র তার বিকীরিত কি স্বগীয় জ্যোতি, যেন তার নয়নের শাস্ত সে কিরণ সমস্ত পৃথিবীময় শাস্তি বরষিবে। বিস্তীর্ণ হইয়া গেল কবির সে দৃষ্টি,