পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) প্রথম খণ্ড.pdf/৬০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রবীন্দ্র-রচনাবলী স্বর্গের সীমায় রাখি ধবল জটায় জড়িত মস্তক তব ওগো হিমালয় নীরব ভাষায় তুমি কি যেন একটি গম্ভীর আদেশ ধীরে করিছ প্রচার ! मशख शृशिवैौ ऊाझे नैौब्रय झझेब्रा শুনিছে অনন্তমনে সভয়ে বিস্ময়ে । আমিও একাকী হেথা রয়েছি পড়িয়া, আঁধার মহা-সমূত্রে গিয়াছি মিশায়ে, ক্ষুদ্র হোতে ক্ষুদ্র নর আমি, শৈলরাজ ! অকৃল সমূত্রে ফুত্র তৃণটির মত হারাইয়া দিগ্বিদিকৃ, হারাইয়া পথ, সভয়ে বিস্ময়ে, হোয়ে হতজ্ঞানপ্রায় তোমার চরণতলে রয়েছি পড়িয়া । উৰ্দ্ধমুখে চেয়ে দেখি ভেদিয়া আঁধার শূন্যে শূন্তে শত শত উজ্জল তারকা, অনিমিষ নেত্রগুলি মেলিয়া যেন রে আমারি মুখের পানে রয়েছে চাহিয়া । ওগো হিমালয়, তুমি কি গম্ভীর ভাবে দাড়ায়ে রয়েছ হেথা আচল অটল, দেখিছ কালের লীলা, করিছ গণনা, কালচক্র কত বার আইল ফিরিয়া ! সিন্ধুর বেলার বক্ষে গড়ায় যেমন श्रयूड उज्जत्र, किछू जका मा कब्रिग्रा কত কাল আইল রে, গেল কত কাল হিমাদ্রি তোমার ওই চক্ষের উপরি । মাথার উপর দিয়া কত দিবাকর উলটি কালের পৃষ্ঠা গিয়াছে চলিয়া । গম্ভীর আঁধারে ঢাকি তোমার ও দেহ কত রাত্রি আসিয়াছে গিয়াছে পোহীয়ে । কিন্তু বল দেখি ওগো হিমালয়গিরি