পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (অচলিত) প্রথম খণ্ড.pdf/৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বন-ফুল এখন মাহুযে বেসেছি ভালো, হৃদয় খুলিব মাস্থ্য-কাছে ! হাসিব কাদিব মানুষের তরে, মাহুষের তরে বাধিব চুলে— মাখিব কাজল জাখিপাত ভ'রে, কবরীতে মণি দিব রে তুলে। মুছিছু নীরজা ! নয়নের ধার, নিতালাম সখি হৃদয়জালা ! তবে সখি আয় আয় দুজনায় ফুল তুলে তুলে গাথি লো মালা ! এই ৰে মালতী তুলিয়াছ সতি ! এই যে বকুল ফুলের রাশি ; জুই আর বেলে ভরেছ মাচলে, মধুপ বাকিয়া পড়িছে আসি । এই হল মালা, আর না লো বালা— শুই লো নীরজা ! ঘাসের পরে । শুনছিস বোন ! শোন শোন শোন! কে গায় কোথায় স্বধার স্বরে ! জাগিয়া উঠিল হৃদয় প্রাণ ! স্বরণের জ্যোতি উঠিল জলে । ঘা দিয়েছে আহা মধুর গান হৃদয়ের অতি গভীর তলে । সেই-ষে কানন পড়িতেছে মনে সেই-যে কুটার নদীর ধারে । থাক থাক থাক হৃদয়বেদন নিভাইরা ফেলি নয়নধারে । সাগরের মাঝে তরুণী হতে দূর হতে যথা নাৰিক স্বত— পায় দেখিবারে সাগরের ধারে মেঘলা মেঘলা ছায়ার মত ! ግ»