পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ঊনবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/১৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রবীন্দ্র-রচনাবলী বর্তমান যেতে যেতে এই শূন্তে যায় ভরে রেখে আপন অন্তর থেকে অসংখ্য স্বপন ; - অতীত এ শূন্ত দিয়ে করিছে বপন বস্তুহীন স্মৃষ্টি যত, নিত্যকাল-মাঝে তারি ফলশস্য ফলিছে নিয়ত । আলোড়িত এই শূন্ত যুগে যুগে উঠিয়াছে জলি, ভরিয়াছে জ্যোতির অঞ্জলি । বসে আছি নির্নিমেষ চোখে অতীতের সেই ধ্যানলোকে— নিঃশব্দ তিমিরতটে জীবনের বিস্মৃত রাতির । হে অতীত, শাস্ত তুমি নির্বাণ-বাতির অন্ধকারে, স্বখদুঃখনিষ্কৃতির পারে । শিল্পী তুমি, আঁধারের ভূমিকায় নিভৃতে রচিছ স্বষ্টি নিরাসক্ত নির্মম কলায়, স্মরণে ও বিস্মরণে বিগলিত বর্ণ দিয়া লিখা বণিতেছ আখ্যায়িকা ; পুরাতন ছায়াপথে নূতন তারার মতো উজ্জ্বলি উঠিছে কত, কত তার নিভাইছ একেবারে যুগাস্তের অশাস্ত ফুৎকারে। আজ আমি তোমার দোসর, আশ্রয় নিতেছি সেথা যেথা আছে মহা-অগোচর । তব অধিকার আজি দিনে দিনে ব্যাপ্ত হয়ে আসে আমার আয়ুর ইতিহাসে । সেথা তব স্থষ্টির মন্দিরদ্বারে আমার রচনাশাল স্থাপন করেছি একধারে