পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (একবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/১১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অ্যালমোড়া רס\|9א!9א ছড়ার ছবি bro ইলিশমাছ আর পাকণ কাঠাল জমল পারের হাটে, কেনাবেচার ভিড় লাগল নেীকে1-বাধা ঘাটে । ডিঙি বেয়ে পাটের আঁঠি আনিছে ভারে ভায়ে, মহাজনের দাড়িপাল্লা উঠল নদীর ধারে । হাতে পয়সা এল, চাৰি ভাৰ্বন নাহি মানে, কিনে নতুন ছাতা জুতো চলেছে ঘর-পানে । পরদেশিয়া নৌকোগুলোর এল ফেরার দিন, নিল ভরে খালি-করণ কেরোসিলের টিন ; একটা পালের পরে ছোটো আরেকটা পাল তুলে চলার বিপুল গর্বে তরীর বুক উঠেছে ফুলে । মেঘ ডাকছে ওক গুরু, থেমেছে দাড় বাওয়া, ছুটছে ঘোলা জলের ধারা, বইছে বাদল হাওয়া । - فهم قلعـ বালক বয়স তখন ছিল কাচা ; হালকা দেহখণনা ছিল পাখির মতে, শুধু ছিল না তার ডান । উড়ত পাশের ছাদের থেকে পায়রাগুলোর বাক, বারান্দাটার রেলিং-’পরে ডাকত এসে কাক । ফেরিওয়ালা হেঁকে যেত গলির ওপর থেকে, তপসিমাছের ঝুড়ি নিত গামছা দিয়ে ঢেকে । বেহালাটা হেলিয়ে কাধে ছাদের পরে দাদা, সন্ধ্যাতারার স্বরে ষেন স্বর হত তার সাধা । জুটেছি বৌদিদির কাছে ইংরেজি পাঠ ছেড়ে, -দেওয়া তার শাড়িটি লালপেড়ে । চুরি করে চাবির গোছ লুকিয়ে ফুলের টবে স্নেহের রাগে রাগিয়ে দিতেম নালাল উপজৰে । কঙ্কালী চাটুজে হঠাৎ জুটত সন্ধ্যা হলে ; বা হাতে তার খেলো ইকো, চাদর কাধে বোলে ।