পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (একবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৪৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রবীন্দ্র-রচনাবলী טO\8 একদিন কোন ছেলে ওকে মেরেছিল ঢেলা, সেদিন থেকে কারে সঙ্গে পায় না করতে খেলা । আনন্দ নেই, উৎসাহ নেই, শখ মেটে না কিছু— ফেরে কেবল বুড়োর পিছু পিছু । উড়ন গেল, নাচন গেল, সাহস না রয় বাকি । স্নেহের খাচার পাখি । সবাই বলে, ভাগ্যি ভালো, জমছে টাকা দানের— হয়, ছেলেটির অভাব কেবল দুর্লভ এই প্রাণের । "কাশী’ কবিতার ১৫-১৬শ ছত্রের পূর্বপাঠ পাণ্ডুলিপি হইতে উদ্ভূত হইল— হাসছ শুনে, কী জানি বা সত্যি পিঠেই হবে, কিন্তু মুখে দাও যদি তো কাঠাল-বিচিই কবে । ‘বালক’ কবিতাটি ছেলেবেলা’ গ্রন্থে প্রথম সংস্করণ ( ১৩৪৭ ) ইতেই পুনর্মুদ্রিত আছে। ইহার ১৩শ ছত্ৰে কিঙ্কালী চাটুজ্জে’ স্থলে পাণ্ডুলিপিতে তথা ছেলেবেলা গ্রন্থে পূর্বপাঠ পাওয়া যায় কিশোরী চাটুজ্জে’ । এই প্রসঙ্গে যোগীন্দ” কবিতার আরম্ভাংশের পাণ্ডুলিপিতে-প্রাপ্ত পূর্বপাঠ উল্লেখযোগ্য— যোগেন্দ্র হালদার দেশে দেশে ঘুরে ঘুরে কাল কেটেছে তার। ইত্যাদি । রিক্ত’ কবিতাটির সংক্ষিপ্ত প্রথম পাঠ পাণ্ডুলিপিতে এরূপ পাওয়া যায়— মরুর মতো ডাঙা, চোখ-ভোলানো রঙের নেশা-ভাঙা । শস্যনিঃস্ব মাঠে মধ্যদিনের বিজন লীলা রুদ্ররসের নাটে । রুক্ষ হাওয়ায় ধরার বুকে স্বল্প কাপন কঁপে, শুকনো পাতা ঘুর খাচ্ছে কিসের অভিশাপে । মনে হচ্ছে, ধরাতলের এই মহাশূন্ততায় আকাশ যেন কান পেতে রয় আপনি আপন কথায় । তারি সঙ্গে মিশ খেয়ে যায় আমার চেয়ে থাকা ব্যাপ্ত করে পাণ্ডুবরন র্যণকা । •