পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (একাদশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৮০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রবীন্দ্র-রচনাবলী و اوا) সাহস করে তোমার পদমূলে আপনারে আজ ধরি নাই যে তুলে, পড়ে আছি মাটিতে মুখ রেখে, ফিরিয়ে পাছে দাও এ আমার দান । আপনি যদি আমার হাতে ধরে কাছে এসে উঠতে বল মোরে, তবে প্রাণের অসীম দরিদ্রতা এই নিমেষেই হবে অবসান। বোলপুর ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৩১৭ Ե-Ա) কথা ছিল এক-তরীতে কেবল তুমি আমি যাব অকারণে ভেসে কেবল ভেসে, ত্রিভুবনে জানবে না কেউ আমরা তীর্থগামী কোথায় যেতেছি কোন দেশে সে কোন দেশে । কুলহারা সেই সমুদ্র-মাঝখানে শোনাব গান একলা তোমার কানে, ঢেউয়ের মতন ভাষা-বাধন-হারা আমার সেই রাগিণী শুনবে নীরব হেসে । আজো সময় হয় নি কি তার, কাজ কি আছে বাকি । ওগো ওই-যে সন্ধ্যা নামে সাগরতীরে। মলিন আলোয় পাখী মেলে সিন্ধুপারের পাখি আপন কুলায়-মাঝে সবাই এল ফিরে । কখন তুমি আসবে ঘাটের পরে বাধনটুকু কেটে দেবার তরে। অন্তরবির শেষ আলোটির মতো তরী নিশীথমাঝে যাবে নিরুদ্দেশে । বোলপুর ७० छाई s७४१