পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (চতুর্দশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/২১৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ఉ6 রবীন্দ্র-রচনাবলী ৩। শুধুই কি না খেতে পেয়ে ? ১ জারে না খেতে পেয়ে কি কার হাতের দেওয়া কী খেতে পেয়ে সে কথায় কাজ কী ? আবার কে কোন দিক থেকে—নিন্দুকের তো অভাব নেই। এ দেশের মানুষ যে কেউ কারও ভালো সইতে পারে না। ২ । তা তোরা যাই বলিস লোকটা কিন্তু— ১। আহা, তা হবে না কেন ? কোন মাটিতে ওর জন্ম, বুঝে দেখ, ওই চবুয়া গায়ে আমার বুড়ে দাদা ছিল, তার নাম শুনেছিস তো ? ৷ ২ ৷ অারে বাস রে! তার নাম উত্তরকুটের কে না জানে ? তিনি তো সেই—ওই ষে কী বলে— + ১। ই, ই, ভাস্কর । নতি তৈরি করার এত বড়ো ওস্তাদ এ মূলকে হয় নি। তার হাতের নস্তি না হলে রাজা শক্রজিতের একদিনও চলত না । ৩ । সে সব কথা হবে, এখন মন্দিরে চল । আমরা হলুম বিভূতির এক গায়ের লোক—আমাদের হাতের মালা আগে নিয়ে তবে অন্ত কথা। আর আমরাই তো বসব তার ডাইনে । t নেপথ্যে । যেয়ে না ভাই, যেয়ে না, ফিরে যাও । ২ । ওই শোনো বটুক বুড়ে বেরিয়েছে। বটুকের প্রবেশ গায়ে ছেড়া কম্বল, হাতে ধাৰণ ডালের লাঠি, চুল উস্কোখুস্কে ১ । কী বটু, যাচ্ছ কোথায় ? বটু। সাবধান, বাবা, সাবধান। যেয়ে না ও পথে, সময় থাকতে ফিরে যাও । ২ । কেন বলো তো ? \ বটু। বলি দেবে, নরবলি । আমার দুই জোয়ান নাতিকে জোর করে নিয়ে গেল, আর তারা ফিরল না। ৩ । বলি কার কাছে দেবে, খুড়ে ? বটু। তৃষ্ণ, তৃষ্ণ দানবীর কাছে। . ২ । সে আবার কে ? রটু। সে যত খায় তত চায়—তার শুষ্ক রসন। দ্বি-খাওয়া আগুনের শিখার মতো কেবলই বেড়ে চলে ।