পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (চতুর্দশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৪৮০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


* শান্তিনিকেতন see রঘুবংশ আরম্ভ হল রাজোচিত ঐশ্বর্ধগৌরবের বর্ণনায় নয়। স্বদক্ষিণাকে বাৰে নিয়ে রাজা দিলীপ তপোবনে প্রবেশ করলেন। চতুসমূদ্র ধার অনন্তশাসনা পৃথিবীর পরিখা সেই রাজা অবিচলিত নিষ্ঠায় কঠোর সংযমে তপোবনধেছুর সেবায় হলেন । n সংযমে তপস্তায় তপোবনে রঘুবংশের আরম্ভ, আর মদিরায় ইঞ্জিয়মত্ততায় প্রমোদভবনে তার উপসংহার। এই শেষ সর্গের চিত্রে বর্ণনার উজ্জলতা যথেষ্ট আছে। কিন্তু ষে-অগ্নি লোকালয়কে দগ্ধ করে সর্বনাশ করে সেও তো কম উজ্জল নয়। এক পত্নীকে নিয়ে দিলীপের তপোবনে বাস শাস্ত এবং অনতিপ্রকটবর্ণে অঙ্কিত, আর বন্থ নায়িকা নিয়ে অগ্নিবর্ণের আত্মঘাতসাধণ অসংবৃত বাহুল্যের সঙ্গে যেন জলন্ত রেখায় বর্ণিত । প্রভাত যেমন শাস্ত, যেমন পিঙ্গল-জটাধারী ঋষিবালকের মতো পবিত্র, প্রভাত যেমন মুক্তাপাণ্ডুর সৌম্য মালোকে শিশিরক্ষিপ্ত পৃথিবীর উপরে ধীরপদে অবতরণ করে এবং নবজীবনের অস্থ্যুদয়-বার্তায় জগৎকে উদ্বোধিত করে তোলে, কবির কাব্যেও তপস্তার দ্বারা স্বসমাহিত রাজমাহাত্ম্য তেমনি স্কিন্ধতেজে এবং সংযত বাণীতেই মহোদয়শালী রঘুবংশের স্বচনা করেছিল। আর নানাবর্ণবিচিত্র মেঘজালের মধ্যে আবিষ্ট অপরায় আপনার অদ্ভূত রশ্মিচ্ছটায় পশ্চিম আকাশকে যেমন ক্ষশকালের জন্তে প্ৰগলভ করে তোলে এবং দেখতে দেখতে ভীষণ ক্ষয় এসে তার সমস্ত মহিমা অপহরণ করতে থাকে, অবশেষে অনতিকালেই বাক্যহীন কর্মহীন অচেতন অন্ধকারের মধ্যে সমস্ত বিলুপ্ত হয়ে যায় কবি তেমনি করেই বাক্যের শেষ সর্গে বিচিত্র ভোগায়োজনের ভীষণ সমাৱোহের মধ্যেই রঘুবংশ-জ্যোতিষ্কের নির্বাপণ বর্ণনা করেছেন । কাব্যের এই আরম্ভ এবং শেষের মধ্যে কবির একটি অন্তরের কথা প্রচ্ছন্ন আছে। তিনি নীরব দীর্ঘনিশ্বাসের সঙ্গে বলছেন, ছিল কী, আর হয়েছে কী । সেকালে যখন সন্মুখে ছিল অদ্ভু্যদয় তখন তপস্তাই ছিল সকলের চেয়ে প্রধান ঐশ্বৰ্ষ আর একালে যখন সম্মুখে দেখা যাচ্ছে বিনাশ তখন বিলালের উপকরণরাশির সীমা নেই, জার ভোগের অতৃপ্ত বছি সহস্ৰ শিখায় জলে উঠে চারিদিকের চোখ ধাধিয়ে দিছে। l কালিদাসের অধিকাংশ কাব্যের মধ্যেই এই বন্ধটি স্ব-স্পষ্ট দেখা যায়। এই শ্বের সমাধান কোথায় কুমারসম্ভবে ভাই দেখানো হয়েছে। ৰবি এই কাব্যে বলেছেন ত্যাগের नक्णअंकांब *ब्रांडव इटाउ फेकांच्च नांङ्ग । I