পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (চতুর্দশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৫৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


( ՖԵր ब्रदीख-ब्रछनॉयलो মধ্যে রয়েছে। সেই পবিত্র ধূলিকে মাথায় নিয়ে, হে সৰ্বব্যাপী পরমানন্দ, তোমাকে সর্বত্র স্বীকার করবার শক্তি আমাদের মধ্যে সঞ্চারিত হ’ক । যাক সমস্ত বাধাবদ্ধ ভেঙে যাক। দেশের মধ্যে এই আনন্দবোধের বস্তা এসে পড়ক। সেই আনন্দের বেগে মানুষের সমস্ত ঘরগড়া ব্যবধান চূর্ণ হয়ে যাক, শক্র মিত্র মিলে যাক, স্বদেশ বিদেশ এক হ’ক । হে আনন্দময় আমরা দীন নই, দরিদ্র নই। তোমার অমৃতময় অনুভূতি দ্বার। আমরা আকাশে এবং আস্থায়, অন্তরে বাহিরে পরিবেষ্টিত এই অনুভূতি আমাদের দিনে দিনে জাগ্রত হয়ে উঠুক। তাহলেই আমাদের ত্যাগই ভোগ হবে, অভাবও ঐশ্বর্ধময় হবে, দিন পূর্ণ হবে, রাত পূর্ণ হবে, নিকট পূর্ণ হবে, দূর পূর্ণ হবে, পৃথিবীর ধূলি পূর্ণ হবে, আকাশের নক্ষত্ৰলোক পূর্ণ হবে। ধারা তোমাকে নিখিল আকাশে পরিপূর্ণভাবে দেখেছেন তারা তো কেবল তোমাকে জ্ঞানময় বলে দেখেন নি। কোন প্রেমের সুগন্ধ বসন্তবাতাসে তাদের হৃদয়ের মধ্যে এই বার্তা সঞ্চারিত করেছে যে, তোমার যে বিশ্বব্যাপী অনুভূতি তা রসময় অনুভূতি। বলেছেন রলো বৈ সঃ-—সেই জন্যেই জগং জুড়ে এত রূপ, এত বং, এত গন্ধ, এত গান, এত সখ্য, এত স্নেহ, এত প্রেম। এতস্তৈবানন্দস্তান্তানিভূতানি মাত্রামুপজীবস্তি—তোমার এই অখণ্ড পরমানন্দ রসকেই আমরা সমস্ত জীবজন্তু দিকে দিকে মুহূর্তে মুহূর্তে মাত্রায় মাত্রায় কণায় কণায় পাচ্ছি—দিনে রাত্রে, ঋতুতে ঋতুতে, অন্নে জলে, ফুলে ফলে, দেহে মনে, অন্তরে বাহিরে বিচিত্র করে ভোগ করছি । হে অনির্বচনীয় অনন্ত, তোমাকে রসময় বলে দেখলে সমস্ত চিত্ত একেবারে সকলের নিচে নত হয়ে পড়ে। বলে, দাও দাও, আমাকে তোমার ধুলার মধ্যে তৃণের মধ্যে ছড়িয়ে দাও । দাও আমাকে রিক্ত করে কাঙাল করে, তার পরে দাও আমাকে রসে ভরে দাও। চাই না ধন, চাই ন৷ মান, চাই না কারও চেয়ে কিছুমাত্র বড়ো হতে। তোমার যে রস হাটবাজারে কেনবার নয়, রাজভাণ্ডারে কুলুপ দিয়ে রাখবার নয়, যা আপনার অন্তহীন প্রাচুর্বে আপনাকে আর ধরে রাখতে পারছে না, চারিদিকে ছড়াছড়ি যাচ্ছে, তোমার যেরসে মাটির উপর ঘাস সবুজ হয়ে আছে, বনের মধ্যে ফুল স্বন্দর হয়ে আছে, যে-রসে সকল দুঃখ, সকল বিরোধ, সকল কাড়াকড়ির মধ্যেও আজও মানুষের ঘরে ঘরে ভালোবাসার অজস্ৰ অমৃতধারা কিছুতেই শুকিয়ে যাচ্ছে না ফুরিয়ে যাচ্ছে না—মুহূর্তে মুহূর্তে নবীন হয়ে উঠে পিতায় মাতায়, স্বামী-স্ত্রীতে, পুত্রে কন্যায়, বন্ধুবান্ধবে নালাদিকে নানা শাখায় বয়ে যাচ্ছে, সেই তোমার নিখিল রসের নিবিড় সমষ্টিরূপ ষে-অমৃত ठांब्रहे अकः कनी श्रांभाद्र शराबव्र भावथांनमिठ ७कवांब छूहrछ नांe । ऊांब नद्र থেকে আমি দিনরাত্রি তোমার সবুজ ঘাসপাতার সঙ্গে আমার প্রাণকে সরল করে