পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (চতুর্দশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৫৩৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গ্রন্থ-পরিচয় ●●● খোলো, আমার মধ্যে যে গুহাহিত সত্য তোমার মধ্যে তার অবারিত জ্যোতিঃস্বরূপ দেখে নিই। আমার পরিচয় আলোকে আলোকে উদঘাটিত হোক । २७ cनान्छेचब्र কাল অপরাধুে আচ্ছন্ন স্বর্ষের উদ্দেশে একটা কবিতা শুরু করেছি, আজ সকালে cथ्य हल । ঘন অশ্রীবাম্পে ঘেরা মেঘের দুর্যোগে খড়গ হানি ফেলে, ফেলো টুটি।. “লিপি” ( ৪ অক্টোবর ১৯২৪ ) কবিতা-প্রসঙ্গে ‘পশ্চিমঘাত্রীর ডায়ারি’র এই অংশ পঠনীয় : ७ जtछेवब्र, s*२8 शंक्रन-यांक्र जांझांछ এখনো সূর্ব ওঠে নি। আলোকের অবতরণিক পূর্ব-আকাশে। জল স্থির হয়ে আছে সিংহবাহিনীর পায়ের তলাকার সিংহের মতো। সূর্যোদয়ের এই আগমনীর মধ্যে মজে গিয়ে আমার মুখে হঠাৎ ছন্দে-গাথা এই কথাটা আপনিই ভেসে উঠল : হে ধরণী, কেন প্রতিদিন তৃপ্তিহীন একই লিপি পড় বারে বারে ? বুঝতে পারলুম, আমার কোনো একটি আগন্তুক কবিতা মনের মধ্যে এসে পৌছবার আগেই তার ধুয়োটা এসে পৌছেছে। এইরকমের ধুয়ো অনেক সময়ে উড়ো বীজের মতো মনে এসে পড়ে, কিন্তু সব সময়ে তাকে এমন স্পষ্ট করে দেখতে পাওয়া थॉम्न न ! সমূত্রের দূরতীরে যে-ধরণী আপনার নানা-রঙা আঁচলখানি বিছিয়ে দিয়ে পুবের দিকে মুখ করে একলা বসে আছে, ছবির মতো দেখতে পেলুম তার কোলের উপর একখানি চিঠি পড়ল খসে কোন উপরের থেকে। সেই চিঠিখানি বুকের কাছে তুলে ধরে সে একমনে পড়তে বসে গেল ; তাল-তমালের নিবিড় বনচ্ছায়া পিছনে রইল এলিয়ে, হয়ে-পড়া মাখার থেকে ছড়িয়ে পড়া এলোচল । 颅 আমার কবিতার ধুয়ো বলছে, প্রতিদিন সেই একই চিঠি, সেই একখানির বেশি আর দরকার নেই ; সে-ই ওর যথেষ্ট । সে এত বড়ো, তাই সে এত সরল। সেই একখানিতেই সব-আকাশ এমন সহজে ভরে গেছে।