পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ত্রয়োবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/১৫০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ృ8 e ब्रदौटण-ब्रछनांथली चांग्नि নবীন শু্যামল মেঘে প্রথম প্রসাদ বৃষ্টি । তোমায় প্রণাম, তোমায় প্রণাম, cएठtभtश्च ॐ{6ांग श्रृंख्दांद्र ! র্তাকে চাই, মা । নিতান্তই চাই । র্তার সামনে সাজিয়ে ধরতে চাই আমার এ জন্মের পূজার ডালি। অশুচি হবে না তাতে তার চরণ। দেখুক সবাই আমার স্পধর্ণ । গৌরব ক’রে বলতে চাই, আমি তোমার সেবিকা, নইলে সংসারে সবারই পায়ের কাছে চিরদিন বাধা পড়ে থাকতে হবে দাসী হয়ে । মা। মিছে রাগ করিস কেন, বাছা । দাসীজন্মই যে তোর । বিধাতার লিখন খণ্ডাবে কে । প্রকৃতি । ছি ছি, মা, আবার তোকে বলছি, ভুলিস নে, মিথ্যে নিন্দে রটাস নে নিজের– পাপ সে পাপ | রাজার বংশে কত দাসী জন্মায় ঘরে ঘরে, আমি দাসী নই ৷ ব্রাহ্মণের ঘরে কত চগুলি জন্মায় দেশে দেশে, আমি নই চণ্ডাল । মা ! তোর সঙ্গে কথা কইতে পারি এমন কথা আমি জানি নে । তা ভালো, আমি নিজে যাব তার কাছে। পায়ে ধ'রে বলব, তুমি অল্প নিয়ে থাক সব ঘর থেকেই, আমার ঘরে কেবল এক গণ্ডৰ জল নিতে এসো। প্রকৃতি । গান না না, ডাকব না, ডাকব না অমল করে বাইরে থেকে । পারি যদি অস্তরে তার ডাক পাঠাব, আনব ডেকে । দেবার ব্যথা বাজে আমার বুকের তলে, নেবার মানুষ জানি নে তো কোথায় চলে, এই দেওয়া-নেওয়ার মিলন আমার ঘটাবে কে । মিলবে না কি মোর বেদনা তার বেদনাতে গঙ্গাধারা মিশবে না কি কালো যমুনাতে। আপনি কী স্বর উঠল বেজে আপনা হতে এসেছে যে, গেল যখন আশার বচন গেছে রেখে ॥ পৃথিবী যখন অনাবৃষ্টিতে ফেটে চৌচির, কী হবে, মা, এক-ঘটি জল সংগ্রহ করে। আপনি আসবে না মেঘ আপন টানে, আকাশ ভরে দিয়ে ?