পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ত্রয়োবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/১৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>bペ রবীন্দ্র-রচনাবলী श्ब्रउनौ ।। ८कडे नां । ये ८म८थीं-नां, ७वांद्र श्ठां९ उक८मां वव्रनांब्र नांगण वर्षी । জলের ধারায় ধারায় শুরু হল বেণীবন্ধন । এ বিদ্যা কে শেখাল তাকে চলে আমার সঙ্গে, ছক্কা-পঞ্চার গান শুনিয়ে দিই তোমাকে । [ প্রস্থান বিবিদের প্রবেশ বিবির। । নাচ ও গান অজানা স্বর কে দিয়ে যায় কানে কানে, ভাবনা আমার যায় ভেসে যায় গানে গানে । বিশ্বত জন্মের ছায়ালোকে হারিয়ে-যাওয়া বীণার শোকে কেঁদে ফিরে পথহারা রাগিণী । কোন বসন্তের মিলনরাতে তারার পানে ভাবনা আমার যায় ভেসে যায় গানে গানে ॥ [ প্রস্থান রুইতন-হরতনীর পুনঃপ্রবেশ রুইতন। দোষ দেব কাকে । আমারই গাইতে ইচ্ছা করছে। হরতনী । দেখো, সম্পাদক যেন শুনতে না পায়, স্তম্ভে চড়াৰে । সে দেখলুম ঘুরে বেড়াচ্ছে এই বনের খবর নিতে । রুইতন। দেখে, হরতনী, ভয় কিন্তু আমার গেছে ঘুচে, কেন কী জানি । একটা কিছু হুকুম করে, তোমার জন্তে দুঃসাধ্য কিছু একটা করতে চাই । হরতনী । আর ঘাই কর গান গেয়ে না, বনে জবা ফুটেছে, তুলে এনে দাও । ফুলের রস দিয়ে রাঙাব পায়ের তলা । রুইতন। দেখে, স্বনারী, আজ সকালে উঠেই বুঝেছি, আমাদের এই তালজন্মটা স্বপ্ন। সেটা হঠাৎ ভাঙল । আমাদের আর-এক জন্ম বাতালে ভেসে বেড়াচ্ছে । তারই বাণী আসছে মুখে, তারই গান শুনছি কানে। ঐ শোনে, ঐ শোনে, আমার সেই যুগের রচিত গান আকাশ থেকে ঐ কে বয়ে আনছে। গান তোমার পায়ের তলায় যেন গে। রঙ লাগে, আমার মনের বনের ফুলের রাঙা রাগে ।