পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ত্রয়োবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/১৯৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


তাসের দেশ ՖԵ e ८यन उवांभाँ १ १jicनद्र छॉcन তোমায় ভূষণ পরাই কানে, খেন রক্তমণির হার গেঁথে দিই প্রাণের অস্থরাগে । হরতনী। এ গান কোনোদিন তুমিই বেঁধেছিলে, আর আমারই জন্তে ? কেমন ক’রে বাধলে । রুইতন। যেমন করে তুমি বাধলে বেণী । হরতনী । আচ্ছা, মনে কি আসছে, তোমার গানে আমি নেচেছিলুম কোনেএকটা যুগে । রুইতন। মনে আসছে, আসছে । এতদিন ভুলে ছিলুম কী করে তাই ভাবি। গান উতল হাওয়া লাগল আমার গানের তরণীতে। দোলা লাগে, দোলা লাগে তোমার চঞ্চল ঐ নাচের লহরীতে । যদি কাটে রলি, যদি হাল পড়ে খসি, যদি ঢেউ উঠে উচ্ছ্বসি, সম্মুখেতে মরণ যদি জাগে, করি নে ভয়, নেবই তারে নেবই তারে জিতে । রুইতন। দেখে হরতনী, মন ছট্‌ফটিয়ে উঠেছে যমরাজের সঙ্গে পাল্লা দিতে । আমি চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি ছবি, তুমি পরিয়ে দিলে আমার কপালে জয়তিলক, আমি বেরলুম বন্দিনীকে উদ্ধার করতে, বন্ধ দুর্গের দ্বারে বাজালুম জামার ভেরী। কানে আসছে বিদায়কালে যে গান তুমি গেয়েছিলে । গান বিজয়মাল! এনে আমার লাগি । দীর্ঘ রাত্রি রইব আমি জাগি । চরণ যখন পড়বে তোমার মরণকূলে বুকের মধ্যে উঠবে আমার পরান ছলে, সব ৰদি যায় হব তোমার সর্বনাশের ভাগী