পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ত্রয়োবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/২৭৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গল্পগুচ্ছ २७© नृठेॉख्श्ण । श्रांगां८१५ ८१शा हिल कटैिन, ठाद्धे। बक, श्रझ नौबग, वाकJ प्रब्र, शनि गश्वङ, ব্যবহার নিখুঁত। ইহাতে বাল্যলীলায় মস্ত যে একটা ফাক পড়িয়াছিল লোকের প্রশংসায় সেট। ভর্তি হইত। আমাদের মাস্টার হইতে মুদি পর্যন্ত সকলেই স্বীকার করিত, দত্তবাড়ির ছেলের সত্যযুগ হইতে হঠাৎ পথ জুলিয়া আসিয়াছে। পাথর দিয়া নিরেট করিয়া বাধানে রাস্তাতেও একটু ফাক পাইলেই প্রকৃতি তার মধ্য হইতে আপনার প্রাণশক্তির সবুজ জয়পতাকা তুলিয়া বসে। আমার নবীন জীবনে সকল তিথিই একাদশী হইয়া উঠিয়াছিল, কিন্তু উহারই মধ্যে উপবাসের একটা কোন ফাকে আমি একটুখানি স্বধার স্বাদ পাইয়াছিলাম। যে কয়জনের ঘরে আমাদের যাওয়া আসার বাধা ছিল না তার মধ্যে একজন ছিলেন অগিলবাৰু। তিনি ব্রাহ্মসমাজের লোক ; বাবা তাকে বিশ্বাস করিতেন। তার মেয়ে ছিল অনস্বয়া, আমার চেয়ে ছয় বছরের ছোটো। আমি তার শাসনকর্তার পদ লইয়াছিলাম । তার শিশুমূখের সেই ঘন কালে চোখের পল্লব আমার মনে পড়ে। সেই পল্লবের ছায়াতে এই পৃথিবীর আলোর সমস্ত প্রখরতা তার চোখে যেন কোমল হইয়া আসিয়াছিল। কী স্নিগ্ধ করিয়াই সে মুখের দিকে চাহিত । পিঠের উপরে দুলিতেছে তার সেই বেণীটি, সেও আমার মনে পড়ে ; আর মনে পড়ে সেই দুইখানি হাত— কেন জানি না, তার মধ্যে বড়ে একটি করুণা ছিল । সে যেন পথে চলিতে আর-কারও হাত ধরিতে চায় ; তার সেই কচি আঙ লগুলি যেন সম্পূর্ণ বিশ্বাস করিয়া কার মুঠার মধ্যে ধরা দিবার জন্য পথ চাহিয়া আছে । ঠিক সেদিন এমন করিয়া তাকে দেখিতে পাইয়াছিলাম, এ কথা বলিলে বেশি বলা হইবে। কিন্তু আমরা সম্পূর্ণ বুঝিবার আগেও অনেকটা বুঝি। অগোচরে মনের মধ্যে অনেক ছবি আঁকা হইয়া যায়— হঠাৎ একদিন কোনো-এক দিক হইতে আলো পড়িলে সেগুলা চোখে পড়ে । অস্থর মনের দরজায় কড়া পাহারা ছিল না । সে যা-ত বিশ্বাস করিত । একে তো সে তার বুড়ি দাসীর কাছ হইতে বিশ্বতত্ত্ব সম্বন্ধে যে-সমস্ত শিক্ষা লাভ করিয়াছিল তা আমার সেই ম্যাপ-টাঙানো পড়িবার ঘরের জ্ঞানভাণ্ডারের আবর্জনার মধ্যেও ঠাই পাইবার যোগ্য নয় ; তার পরে সে আবার নিজের কল্পনার যোগেও কত কী ষে স্বষ্টি করিত তার ঠিকানা নাই। এইখানে কেবলই তাকে আমার শাসন করিতে হইত। কেবলই বলিতে হুইত, “অমু, এ-সমস্ত মিথ্যা কথা, তা জান ! ইহাতে পাপ হয় !” শুনিয়া আমুর দুই চোখে কালে পল্লবের ছায়ার উপরে আবার একটা ভয়ের ছায়া পড়িত। অল্প