পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ত্রয়োবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৩৮৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সাহিত্যের পথে Фаф সাহিত্য (Goiमेिषर् बचषक्तांशंश्व खिनौि खांशं क८ब्रश्नि-मङाम्, खtनम्, 4व१ बनखम् । চিরস্তনের এই তিনটি স্বরূপকে আশ্রয় ক’রে মানব-আত্মার ও নিশ্চয় তিনটি রূপ আছে । তার একটি হল, আমরা অাছি ; আর-একটি, আমরা জানি ; আর-একটি কথা তার সঙ্গে আছে তাই নিয়েই আজকের সভায় আমার আলোচনা । সেটি হচ্ছে, আমরা ব্যক্ত করি । ইংরেজিতে বলতে গেলে বলা যায়— I am, I know, I express, মানুষের এই তিন দিক এবং এই তিন নিয়েই একটি অথও সত্য। সত্যের এই তিন ভাব আমাদের নানা কাজে ও প্রবর্তনায় নিয়ত উষ্ঠত করে। টিকতে হবে তাই অল্প চাই, বস্ত্র চাই, বাসস্থান চাই, স্বাস্থ্য চাই । এই নিয়ে তার নানারকমের সংগ্রহ রক্ষণ ও গঠনকার্য । ‘আমি আছি’ সত্যের এই ভাবটি তাকে নানা কাজ করায় । এই সঙ্গে অাছে ‘আমি জানি’ । এরও তাগিদ কম নয়। মামুষের জানার আয়োজন অতি বিপুল, আর তা কেবলই বেড়ে চলেছে, তার মূল্য মানুষের কাছে খুব বড়ো। এই সঙ্গে মালবসত্যের আর-একটি দিক আছে ‘আমি প্রকাশ করি’ । “আমি আছি’ এইটি হচ্ছে ব্রন্ধের সভ্যস্বরূপের অন্তর্গত ; ‘আমি জানি’ এটি ব্রহ্মের জ্ঞানস্বরূপের অন্তর্গত ; ‘আমি প্রকাশ করি’ এটি ব্রহ্মের অনস্তস্বরূপের অন্তর্গত। ‘আমি আছি" এই সত্যকে রক্ষা করাও যেমন মামুষের আত্মরক্ষা, তেমনি ‘আমি জানি’ এই সত্যকে রক্ষণ করাও মানুষের আত্মরক্ষা— কেননা, মাহুষের স্বরূপ হচ্ছে জ্ঞানস্বরূপ । অতএব, মানুষ যে কেবলমাত্র জানবে কী দিয়ে, কী খাওয়ার দ্বারা আমাদের পুষ্টি হয়, তা নয়। তাকে নিজের জ্ঞানস্বরূপের গরজে রাত্রির পর রাত্রি জিজ্ঞাসা করতে হবে, মঙ্গলগ্রহে যে-চিহ্নজাল দেখা যায় সেটা কী । জিজ্ঞাসা করতে গিয়ে হয়তো তাতে তার দৈনন্দিন জীবনযাত্রা অত্যন্ত পাড়িত হয় । অতএব, মাহুষের জ্ঞান-বিজ্ঞানকে তার জ্ঞানময় প্রকৃতির সঙ্গে সংগত ক’রে জানাই ঠিক জান, তার প্রাণময় প্রকৃতির সঙ্গে একান্ত যুক্ত করে জানা ঠিক জানা নয় । আমি আছি, আমাকে টিকে থাকতে হবে, এই কথাটি যখন সংকীর্ণ সীমায় থাকে, তখন আত্মরক্ষা বংশরক্ষণ কেবল আমাদের অহংকে অঁাকড়ে থাকে । কিন্তু, ষেপরিমাণে মানুষ বলে যে, অস্তের টিকে থাকার মধ্যেই আমার টিকে থাক, সেই পরিমাণে সে নিজের জীবনের মধ্যে অনন্তের পরিচয় দেয় ? সেই পরিমাণে ‘আমি আছি’ এবং ‘অল্প সকলে আছে’ এই ব্যবধানটা তার ঘুচে যায়। এই অঙ্গের সঙ্গে ঐক্যবোধের দ্বারা যে মাহাত্ম্য ঘটে সেইটেই হচ্ছে আত্মার ঐশ্বৰ্ষ ; সেই মিলনের প্রেরণায় মাহৰ নিজেকে