পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ত্রয়োবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৩৯৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রবীক্স-রচনাবলী ساسانی চিত্তে স্থান পায় না। যদি কোনো নাছোড়বান্দা বক্তা আমাদের মনোযোগ জাগাবার জন্যে এই খবরটির পুনরাবৃত্তি করে, তা হলে আমি বিরক্ত হয়ে বলি, না হয় বালিকা মন্দির থেকে বাছির হয়ে এল, তাতে আমার কী।’ অর্থাৎ, আমার সঙ্গে তার কোনো সম্বন্ধ অনুভব করি নে বলে এ ঘটনাটি আমার কাছে সত্যই নয়। কিন্তু, যে-মুহূর্তে ছনে স্বরে উপমার যোগে এই সামান্ত কথাটাই একটি স্বযমার অখও ঐক্যে সম্পূর্ণ হয়ে দেখা দিল অমনি এ প্রশ্ন শাস্ত হয়ে গেল ৰে, তাতে আমার কী।’ কারণ, সত্যের পূর্ণরূপ যখন আমরা দেখি তখন তার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্বন্ধের দ্বারা আকৃষ্ট হই নে, সত্যগত সম্বন্ধের দ্বারা আকৃষ্ট হই । গোধূলিবেলায় বালিকা মন্দির হতে ৰাছির হয়ে এল, এই কথাটিকে তথ্য হিসাবে যদি সম্পূর্ণ করতে হত তা হলে হয়তো আরও অনেক কথা বলতে হত ; আশপাশের অধিকাংশ খবরই বাদ গিয়েছে । কবি হয়তো বলতে পারতেন, সে সময়ে বালিকার খিদে পেয়েছিল এবং মনে মনে মিষ্টান্নবিশেষের কথা চিত্তা করছিল। হয়তো সেই সময়ে এই চিন্তাই বালিকার পক্ষে সকলের চেয়ে প্রবল ছিল। কিন্তু, তথ্যসংগ্ৰহ কবির কাজ নয়। এইজন্যে খুব বড়ো বড়ো কথাই ছাটা পড়েছে। সেই তথ্যের বাহুল্য বাদ পড়েছে ব’লেই সংগীতের বাধনে ছোটে৷ কথাটি এমন একত্বে পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, কবিতাটি এমন সম্পূর্ণ অখণ্ড হয়ে জেগেছে, পাঠকের মন এই সামান্ত তথ্যের ভিতরকার সত্যকে এমন গভীরভাবে অনুভব করতে পেরেছে। এই সত্যের ঐক্যকে আহুভব করবামাত্র আমরা আনন্দ পাই। যখাৰ গুণী যখন একটা ঘোড়া অঁাকেন তখন বর্ণ ও রেখা সংস্থানের দ্বারা একটি কুষম উদ্ভাবন ক’রে সেই ঘোড়াটিকে একটি সত্যরূপে আমাদের কাছে পৌছিয়ে দেন, তথ্যরূপে নয়। তার থেকে সমস্ত বাজে খুঁটিনাটির বিক্ষিপ্ততা বাদ পড়ে যায়, একখানা ছবি আপনার নিরতিশয় ঐক্যটিকে প্রকাশ করে । তথ্যগত ঘোড়ার বহল আত্মত্যাগের দ্বারা তবে এই ঐক্যটি বাধামুক্ত বিশুদ্ধরূপে ব্যক্ত হয় । কিন্তু, তথ্যের সুবিধা এই যে, তার পরীক্ষা সহজ । ঘোড়ার ছবি যে ঠিক ঘোড়ার মতোই হয়েছে তা প্রমাণ করতে দেরি লাগে না । ঘোর অরসিক ঘোড়ার কানের ভগ থেকে আরম্ভ করে তার লেজের শেষ পর্যন্ত হিসাব করে মিলিয়ে দেখতে পারে। হসাবে ক্রটি হলে গম্ভীর ভাবে মাথা নেড়ে মার্ক কেটে দেয়। ছবিতে ঘোড়াকে যদি ঘোড়ামাত্রই দেখানো হয় তা হলে পুরাপুরি হিসাব মেলে। আর, ঘোড়া যদি gणणका इग्न चांद्ध झदिई यनि व्णका इग्न छ श्रण श्णिां८वब्र थांड बक कब्रटङ श्ब्र । বৈজ্ঞানিক যখন ঘোড়ার পরিচয় দিতে চান তখন তাকে একটা শ্রেণীগত সত্যের জাজয় নিতে হয়। এই ঘোড়াটি কী। না একটি বিশেষ শ্ৰেণীভুক্ত স্তন্যপায়ী চতুষ্পদ।