পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ত্রয়োবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৪৭২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সাহিত্যের পথে 8やめ দিচ্ছে । মানুষের নগরপল্লী, শস্তক্ষেত্র, উষ্ঠান, হাট-ঘাট, যাতায়াতের পথ, প্রকৃতির সহজ অবস্থাকে ছাপিয়ে স্বতন্ত্র হয়ে উঠছে। পৃথিবীর নানা দেশে ছড়ানো ধনকে মাহুৰ এক করেছে, নানা স্থানে বিক্ষিপ্ত শক্তিকে সে সংহত করেছে, এমনি করে দেশ-দেশান্তরে পৃথিবী ক্রমশই অভিভূত হয়ে আত্মসমর্পণ করে আসছে মাছবের কাছে। মানুষের ৰিশ্বজয়ের এই একটা পাল বস্তুজগতে ; ভাবের জগতে তার অাছে আর-একটা পালা । ব্যাবহারিক বিজ্ঞানে এক দিকে তার জয়স্তম্ভ, আর-এক দিকে শিল্পে সাহিত্যে । যে-দিন থেকে মানুষের হাত পেয়েছে নৈপুণ্য, তার ভাষা পেয়েছে অর্থ, সেই দিন থেকেই মানুষ তার ইঞ্জিয়বোধগম্য জগং থেকে নানা উপাদানে উদ্ভাবিত করছে তার ভাবগম্য জগৎকে । তার স্বরচিত ব্যাবহারিক জগতে ধেমন এখানেও তেমনি ; অর্থtং তার চার দিকে ধা-তা ৰেমন-তেমন ভাবে রয়েছে তাকেই সে অগত্য স্বীকার করে নেয় নি। কল্পনা দিয়ে তাকে এমন রূপ দিয়েছে, হৃদয় দিয়ে তাতে এমন রস দিয়েছে, যাতে সে মামুষের মনের জিনিস হয়ে তাকে দিতে পারে আনন্দ । ভাবের জগৎ বলতে আমরা কী বুঝি। হৃদয় ষাকে উপলব্ধি করে বিশেষ রসের ধোগে ; আনতিলক্ষ্য বহু অবিশেষের মধ্য থেকে কল্পনার দৃষ্টিতে ষাকে আমরা বিশেষ ক'রে লক্ষ্য করি ; সেই উপলব্ধি করা, সেই লক্ষ্য করাটাই ৰেখানে চরম বিষয়। দৃষ্টান্তস্বরূপে বলছি, জ্যোংস্কারাত্রি। সে রাত্রির বিশেষ একটি রস আছে, মনকে তা অধিকার করে। শুধু রস নয়, রূপ আছে তার— দেখি তা কল্পনার চোখে । গাছের ডালে, বনের পথে, বাড়ির ছাদে, পুকুরের জলে নানা ভঙ্গিতে তার আলোছায়ার কোলাকুলি। সেই সঙ্গে নানা ধ্বনির মিলন-পাখির বাসায় হঠাৎ পাখী ঝাড়ার শব্দ, বাতাসে বঁাশপাতায় ঝরঝরানি, অন্ধকারে আচ্ছন্ন ঝোপের মধ্য থেকে উঠছে ঝিল্লিধ্বনি, নদী থেকে শোনা ষায় ডিঙি চলেছে তারই দাড়ের ঝাপ ঝপ, দূরে কোন বাড়িতে কুকুরের ডাক । বাতাসে জদেখা অজানা ফুলের মৃদু গন্ধ ধেন পা টিপে টিপে চলেছে, কখনো তারই মাঝে মাঝে নিশ্বলিত হয়ে উঠছে জানা ফুলের পরিচয় । বহুপ্রকারের স্পষ্ট ও অস্পষ্টকে এক ক’রে নিয়ে জ্যোংস্কারাত্রির একটা স্বরূপ দেখতে পায় আমাদের কল্পনার দৃষ্টি । এই কল্পনাদৃষ্টিতে বিশেষ ক'রে সমগ্র করে দেখার জ্যোৎস্নারাত্রি মাহুষের হৃদয়ের খুব কাছাকাছি জিনিস। তাকে নিয়ে মামুষের সেই অত্যন্ত কাছে পাওয়ার, মিলে যাওয়ার আনন্দ । । গোলাপ-ফুল অসামান্ত; লে আপন সৌন্দৰেই আমাদের কাছে বিশিষ্ট হয়ে ওঠে, সে वङहे बांयां८मब्र भएनब्र गांमथैौ । ’ किरू, व गांबांछ, वां यश्नब्र, डां८क चांभांटनब्र भन कब्रमाद्र जेकाश्डेप्ड विचिडे क'प्द्र नथाप्च् भात्त्व ! बारेष्ब cथाक डारक चाठिषा रिउ পাৰুে খ্রিভূরের মহলে। আদলে-জাৰিষ্ট ভাঙা মেটে পাচিলের গা থেকে বাগদি বুড়ি