পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ত্রয়োবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৪৮৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সাহিত্যের পথে 8ፃ¢ কষে বেঁধে, টেনে-হিঁচড়ে প্রাণপণে চাবকাচ্ছে। নইলে তার গতিবেগ ষে খেমে যায়। এমন বাহ সাম্যকে স্বারা চায় তারা ভাষা-বৈচিত্র্যের উপর স্ট্রম-রোলার চালিয়ে দিয়ে बांशन ब्रांछब्रटर्थव्र *थ गयङ्थ कब्रप्ठ छांञ्च । किङ, *ॉtछछि विछिब्र फूल८क कूd प्रणा পাকালেই তাকে শতদল বলা যেতে পারে না। অরণ্যের বিভিন্ন পত্রপুষ্পের মধ্যে যে-ঐক্য আছে তা হল বসন্তের ঐক্য। কারণ, বসন্তসমাগমে ফাঙ্কনের সমীরণে তাদের সকলেরই মঞ্জরী মুকুলিত হয়ে ওঠে। তাদের বৈচিত্র্যের অন্তরালে যে বসন্তের একই বাণীর চলাচলের পথ, সেখানেই তারা এক ও মিলিত । রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে জবরদস্ত লোকেরা বলে থাকে যে, মানুষকে বড়োরকমের বাধনে বেঁধেছেদে মেরে কেটেকুটে প্রয়োজন সাধন করতে হবে—এমন দড়াদড়ি দিয়ে বাধলেই নাকি ঐক্য সাধিত হতে পারে । অদ্বৈতের মধ্যে যে পরমমুক্ত শিব রয়েছেন তাকে তার চায় না। তারা বেঁধেছেদে ৰৈতকে বস্তাবন্দী করে ষে অদ্বৈতের ভান তাকেই মেনে থাকে । কিন্তু ধারা যথার্থ অৰৈতকে অস্তরে লাভ করেছেন তারা তো তাকে বাইরে খোজেন না। বাইরের যে-এক তা হচ্ছে প্রলয়, তাই একাকারত্ব ; আর অন্তরের যে-এক তা হল স্থষ্টি, তাই ঐক্য। একটা হল পঞ্চত, আর-একটা হল পঞ্চায়েৎ । আজকার এই সাহিত্যসম্মিলনে বাংলাদেশের প্রতিবেশী অনেক বন্ধুও সমাগত হয়েছেন । তারা যদি এই সম্মিলনে সমাগত হয়ে নিমন্ত্রণের গৌরবলাভে মনের মধ্যে কোনো বাধাবোধ না করে থাকেন ভৰে তাতে অনেক কাজ হয়েছে । আমরা যেন বাঙালির স্বাজাত্য-অভিমানের অতিমাত্রায় মিলনষজ্ঞে বিন্ন না বাধাই। দক্ষ তো আপন আভিজাত্যের অভিমানেই শিবকে রাগিয়ে দিয়েছিলেন । যে-দেশে হিন্দি ভাষার প্রচলন সে-দেশে প্রবাসী বাঙালি বাংলাভাষীয় ক্ষেত্র তৈরি করেছে, এতে বাঙালিদের এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে। এই উত্তরভারতে কাশীতে তারা কী পেলেন, দেখলেন, আত্মীয়দের সহযোগিতায় কী লাভ করলেন, তা আমাদের জানতে হবে। আমরা দূরে ধারা বাল করি তারা এখানকার এ-সবের সঙ্গে পরিচিত নই ; উত্তরভারতের লোককে আমরা মানচিত্র বা গেজেটিয়ারের সহযোগে দেখেছি। বাঙালি ৰখন আপন ভাষার মধ্য দিয়ে তাদের সঙ্গে পরিচয় বিস্তার করে সৌহার্দের পথ মুক্ত করবেন তাতে কল্যাণ হবে। ভালোবাসার সাধনার একটা প্রধান সোপান হচ্ছে জ্ঞানের সাধনা ৷ পরস্পরের পরিচয়ের অভাবই মানুষের প্রভেদকে বড়ো করে তোলে। যখন অস্তরের পরিচয় না হয় তখন বাইরের অনৈক্যই চোখে পড়ে, আর তাতে পদে পদে অবজ্ঞার সঞ্চার হয়ে থাকে। আজ বাংলাভাষাকে অবলম্বন করে উত্তরভারতের সঙ্গে সেই