পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ত্রয়োবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৫২২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সাহিত্যের পথে &YS অতএব ধারা ভালোবাসা মানে তাদেরকে অনেক দূর ছাড়িয়ে গিয়েছি, সাহিত্য প্রসঙ্গে এ কথা বলে লাভ কী ।

    • बिबां८ब्रब्र फिर्टि'ब्र नबांप्लांछन नचtख

শনিবারের চিঠি যদি সাহিত্যের সীমার মধ্যে থেকে বিশুদ্ধভাবে সম্পূর্ণভাবে সমালোচনার পথে অগ্রসর হন, তা হলে বেশি ফললাভ করবেন এই আমার বিশ্বাস । যদি একান্তভাবে দোষ নির্ণয় করবার দিকে সমস্ত চিত্ত নিবিষ্ট করি তা হলে সেট। মাথায় চেপে স্বায়, তাতে শক্তির অপচয় ঘটে। “শনিবারের চিঠিতে এমন সব লোকের সম্বন্ধে আলোচনা দেখেছি র্যারা সাহিত্যিক নন এবং জনগণের মধ্যেও র্যাদের বিশেষ প্রাধান্ত নেই। র্তাদের ব্যক্তিগত বিশেষত্বকে অতি প্রকট করে ষে সব ছবি জাকা হয় তাতে না সাহিত্যের না সমাজের কোনো উপকার ঘটে। এর ফল হয় এই যে, যেখানে সাধারণের হিতের প্রতি লক্ষ্য করে লেখকের কঠিন কথা ৰলেন তার দাম কমে যায়। মনে হয়, কঠিন কথা বলাতেই লেখকের বিশেষ আনন্দ, তার লক্ষ্য যেই হোক আর যাই হোক । o কর্তব্যপালনের ষে অবশুম্ভাবী কঠোরতা আছে নিজেরও সম্বন্ধে সেটাকে অত্যন্ত দৃঢ় রাখা চাই। শনিবারের চিঠি’র লেখকদের স্বতীক্ষ লেখনী, তাদের রচনানৈপুণ্যেরও আমি প্রশংসা করি, কিন্তু এই কারণেই তাদের দায়িত্ব অত্যন্ত বেশি ; তাদের খড়গের প্রখরতা প্রমাণ করবার উপলক্ষ্যে অনাবশ্বক হিংস্রতা লেশমাত্র প্রকাশ না পেলে তবেই তাদের শৌর্যের প্রমাণ হবে । সাহিত্যসংস্কার কার্ধে তাদের কর্তব্যের ক্ষেত্র আছে— কিন্তু কর্তব্যটি অপ্রিয় বলেই এই ক্ষেত্রের সীমা তাদেরকে একান্তভাবে রক্ষা করতে হবে। অস্ত্রচিকিৎসায় অস্ত্রচালনার সতর্কতা অত্যন্ত বেশি দরকার, কেননা . আরোগ্যবিধানই এর লক্ষ্য, মারা এর লক্ষ্য নয়। সাহিত্যের চিকিৎসাই শনিবারের চিঠি’র লক্ষ্য, এই কারণেই এই লক্ষ্যের একটুমাত্র বাইরে গেলেও তাদের প্রতিপত্তি নষ্ট হৰে। চিকিৎসকের পক্ষে অস্ত্রচালনার কৌশলই একমাত্র জিনিস নয়। প্রতিপত্তিও মহামূল্য। সেই প্রতিপত্তি রক্ষা করে “শনিবারের চিঠি" যদি কর্তব্যের খাতিরে নিষ্ঠুরও হন তাকে কেউ নিন্দা করতে পারবে না। র্যাদের শক্তি আছে তাদের কাছেই আমরা যথাস্থানে ক্ষান্তি দাবি করি । কর্তব্য যেখানে বড়ো সেখানেই তার পদ্ধতি সম্বন্ধে বিশেষ শুচি রক্ষার প্রয়োজন । আধুনিক সাহিত্যের doctrine সম্বন্ধে পুনরায় * কেবলমাত্র না-মানার দ্বারা সাহিত্যিক হওয়া যায় না। শুধু ভগবান প্রেম আর ভূত কেন তোমরা আরও অনেক কিছু না মানতে পার। যেমন, হোমিওপ্যাথি