পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (ত্রয়োবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৫৩৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


C:૨8 ब्रयौटश-ब्रक्रमायजौ । থেকে মধুহজন নিংসংকোচে ষে-সৰ শৰ মাহরণ করতে লাগলেন সেও न्डन, वारणा পয়ারের সনাতন সমদ্বিভক্ত আল ভেঙে দিয়ে তার উপর অমিত্ৰাক্ষরের যে-বস্তা বইয়ে দিলেন সেও নূতন, আর মহাকাব্য-খওকাব্য-রচনায় যে-রীতি অবলম্বন করলেন তাও বাংলাভাষায় নূতন । এট। ক্রমে ক্রমে পাঠকের মনকে সইয়ে সইয়ে সাবধানে ঘটল না ; শাস্ত্রি ক প্রথায় মঙ্গলাচরণের অপেক্ষ না রেখে কবিতাকে বহন করে নিয়ে এলেন এক মুহূর্তে ঝড়ের পিঠে — প্রাচীন সিংহদ্বারের আগল び*研 CSびg | মাইকেল সাহিত্যে ধে-যুগান্তর আনলেন তার অনতিকাল পরেই আমার জন্ম । আমার যখন বয়স অল্প তখন দেখেছি, কত যুবক ইংরেজিসাহিত্যের সৌন্দর্ষে ভাববিহবল ৷ সেক্সপিয়র, মিলটন, বায়ু রন, মেকলে, বার্ক, তারা প্রবল উত্তেজনায় আবৃত্তি করে যেতেন পাতার পর পাত । অথচ তাদের সমকালেই বাংলাসাহিত্যে ষে নূতন প্রাণের উদ্যম সদ্য জেগে উঠেছে, সে তারা লক্ষ্যই করেন নি। সেটা ধে অবধানের ধোগ্য তা ও তারা মনে করতেন না । সাহিত্যে তখন যেন ভোরের বেল। কারও ঘুম ভেঙেছে, অনেকেরই ঘুম ভাঙে নি। আকাশে অরুণালোকের স্বাক্ষরে তখনও ঘোষিত হয়নি প্রভাতের জ্যোতির্ময়ী প্রত্যাশা ৷ বঙ্কিমের লেখনী তার কিছু পূর্বেই সাহিত্যের অভিধানে যাত্রা আরম্ভ করেছে। তখন অস্তঃপুরে বটতলার ফঁাকে ফঁাকে দুর্গেশনন্দিনী, মুণালিনী, কপালকুগুল সঞ্চরণ করছে দেখতে পাই । যারা তার রস পেয়েছেন তারা তখনকার কালের নবীন হলেও প্রাচীনকালীন সংস্কারের বাহিরে তাদের গতি ছিল অনভ্যস্ত। আর কিছু না হোক, ইংরেজি তারা পড়েন নি। এ কথা মানতেই হবে, বঙ্কিম তার নভেলে আধুনিক রীতিরষ্ট রূপ ও রস এনেছিলেন। তার ভাষা পূর্ববর্তী প্রাকৃত বাংলা ও সংস্কৃত বাংলা থেকে অনেক ভিন্ন । তার রচনার আদর্শ কি বিষয়ে কি ভাবে কি ভঙ্গিতে পাশ্চাত্যের আদর্শের অনুগত তাতে কোনো সন্দেহ নেই । সেকালে ইংরেজিভাষায় বিদ্বান বলে র্যাদের অভিমান র্তার। তখনও তার লেখার যথেষ্ট সমাদর করেন নি ; অথচ সে-লেখা ইংরেজি শিক্ষণহীন তরুণীদের হৃদয়ে প্রবেশ করতে বাধা পায় নি, এ আমরা দেখেছি। তাই সাহিত্যে আধুনিকতার আবির্ভাবকে আর তো ঠেকানে। গেল না। এই নব্য রচনানীতির ভিতর দিয়ে গেদিনকার বাঙালি-মন মানসিক চিরাভ্যাসের অপ্রশস্ত বেষ্টনকে অতিক্রম করতে পারলে— যেন অসুৰস্পগুরূপ অন্তঃপুরচারিণী জাপন