পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (দ্বাবিংশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৬৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সেঁজুতি বারেক ফেলা, বারেক তোলা, ফেলতে ফেলতে যাওয়া— একেই বলে জীবনতরীর চলন্ত দাড় বাওয়া । তাহার পরে রাত্রি আসে, দাড় টানা যায় থামি, কেউ কারেও দেখতে না পায় আঁধারতীর্থগামী । ভাটার স্রোতে ভাসে তরী, অকৃলে হয় হারা— যে সমুদ্রে অস্তে নামে কালপুরুষের তারা। আলমোড়া ר ס\|טן"ל চলাচল ওরা তো সব পথের মানুষ, তুমি পথের ধারের ; ওরা কাজে চলছে ছুটে, তুমি কাজের পারের। বয়স তোমায় অনেক দিল, অনেক নিল কেড়ে ; রইল যত তাহার চেয়ে অধিক গেল ছেড়ে । চিহ্ন পড়ে, তারে ঢাকে নতুন চিহ্ন এসে ; কোনো চিহ্ন স্পষ্ট হয়ে রয় না অবশেষে । যেথায় ছিল চেনা লোকের নীড় অনায়াসে জমল সেথায় অচেনাদের ভিড় । তুমি শাস্ত হাসি হাস যখন ওরা ভাবে ওদের বেলায় অক্ষত দিন এমনি করেই যাবে। আলমোড় ২৯ মে ১৯৩৭ মায়া করেছিকু যত সুরের সাধন নতুন গানে, খসে পড়ে তার স্মৃতির বাধন আলগা টানে।