পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (দ্বিতীয় খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৪৭৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


88ર ब्रौठ-ब्रध्नांबलौ রঘুপতি তীব্র বাক্যে ও তীক্ষ কটাক্ষে প্রমাণ করিয়া দিলেন যে, নক্ষত্র রায় ভালো নাই। নক্ষত্র রায়ও রঘুপতির মুখের তেজে কতকটা সেই রকমই বুঝিলেন। তিনি বলিলেন, “বেশ আর কী এমনি আছি। কিন্তু আর কী করিব। উপায় কী আছে।” রঘুপতি। “উপায় ঢের আছে-উপায়ের অভাব নাই। আমি তোমাকে উপায় দেখাইয়া দিব—তুমি আমার সঙ্গে চলো।” নক্ষত্র রায় । “এক বার দেওয়ানজিকে জিজ্ঞাসা করি ।” রঘুপতি। “না।” নক্ষত্র রায় । “আমার এই সব জিনিসপত্র—” রঘুপতি। “কিছু আবশ্বক নাই।” নক্ষত্র রায় । “লোকজন—* রঘুপতি। “দরকার নাই ।” নক্ষত্র রায় । “আমার হাতে এখন যথেষ্ট নগদ টাকা নাই ।” রঘুপতি। “আমার আছে। আর অধিক ওজর আপত্তি করিয়ো না। আজ শয়ন করিতে যাও, কাল প্রাতঃকালেই যাত্রা করিতে হইবে।” বলিয়া রঘুপতি কোনো উত্তরের অপেক্ষ না করিয়া চলিয়া গেলেন । তাহার পরদিন ভোরে নক্ষত্র রায় উঠিয়াছেন। তখন বন্দীরা ললিত রাগিণীতে মধুর গান গাহিতেছে। নক্ষত্র রায় বহির্ভবনে আসিয়া জানালা হইতে বাহিরে চাহিয়া দেখিলেন। পূর্বতীরে স্বৰ্বোদয় হইতেছে, অরুণরেখা দেখা দিয়াছে। উভয় তীরের ঘন তরুম্রোতের মধ্য দিয়া, ছোটো ছোটো নিক্রিত গ্রামগুলির দ্বারের কাছ দিয়া ব্ৰহ্মপুত্র তাহার বিপুল জলরাশি লইয়া অবাধে বহিয়া যাইতেছে। প্রাসাদের জানালা হইতে নদীতীরের একটি ছোটো কুটির দেখা যাইতেছে। একটি মেয়ে প্রাঙ্গণ বাট দিতেছে-এক জন পুরুষ তাহার সঙ্গে দুই-একটা কথা কহিয়া মাথায় চাদর বাধিয়া, একটা বড়ো বাশের লাঠির অগ্রভাগে পুটুলি বাধিয়া নিশ্চিন্তমনে কোথায় ৰাছির হইল। শু্যামা ও দোয়েল শিস দিতেছে, বেনে-বউ বড়ো কঁঠাল গাছের ঘন পরবের মধ্যে বসিয়া গান গাহিতেছে । বাতায়নে দাড়াইয়া বাহিরের দিকে চাহিয়া নক্ষত্র রায়ের হৃদয় হইতে এক গভীর দীর্ঘনিশ্বাস উঠিল, এমন সময়ে পশ্চাৎ হইতে রঘুপতি আসিয়া নক্ষত্র রায়কে স্পর্শ করিলেন। নক্ষত্র রায় চমকিয়া উঠিলেন। রঘুপতি মৃদুগষ্ঠীর স্বরে কছিলেন, “যাত্রার সমস্ত প্রস্তুত।” nig नकब ब्रांब्र cछांफ़शरङ चङाख कांङब्र ऋग्न कश्रिणन, **ांकूद्र, चांभांरक बां* করে ঠাকুর,-আমি কোথাও যাইতে চাহি না । আমি এখানে ৰেশ জাছি।”