পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (দ্বিতীয় খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৫৫৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


é२२ রবীক্স-রচনাবলী शिष्णन-किरू दांडालिब्र कॉरल् हेशांब्र ८कांहना कन श्हेण ना । ऊांशब्रा ८कदन औश्रত্ৰোণ-ভীমাজুনকে পুরাতত্বের কুলুঙ্গি হইতে পাড়িয়া ধূলা ঝাড়িয়া সভাস্থলে পুতুলনাচ দেখায়। আসল কথা, ভীষ্ম প্রভৃতি বীরগণ আমাদের দেশে মরিয়া গিয়াছেন। তাহারা ষে বাতাসে ছিলেন, সে বাতাস এখন আর নাই। স্থতিতে বাচিতে হইলেও তাহার খোরাক চাই। নাম মনে করিয়া রাখা তো স্থতি নহে, প্ৰাণ ধরিয়া রাখাই স্থতি। কিন্তু প্রাণ জাগাইয়া রাখিতে হইলেই তাহার উপযোগী বাতাস চাই, তাহার উপযোগী খাদ্য চাই । আমাদের হৃদয়ের তপ্ত রক্ত সেই স্মৃতির শিরার মধ্যে প্রবাহিত হওয়া চাই। মন্থন্তত্বের মধ্যেই ভীষ্ম-দ্রোণ বাচিয়া আছেন। আমরা তো নকল মানুষ । অনেকটা মানুষের মতো। ঠিক মামুষের মতো খাওয়াদাওয়া করি, চলিয়া ফিরিয়া বেড়াই, হাই তুলি ও ঘুমোই—দেখিলে কে বলিবে যে মানুষ নই। কিন্তু ভিতরে মচুন্যত্ব নাই। যে জাতির মজ্জার মধ্যে মনুষ্যত্ব আছে, সে জাতির মহত্বকে কেহ অবিশ্বাস করিতে পারে না, মহৎ আশাকে কেহ গাজাখুরি মনে করিতে পারে না, মহৎ অনুষ্ঠানকে কেহ হুজুক বলিতে পারে না, সেখানে সংকল্প কার্ধ হইয়া উঠে, কার্ধ সিদ্ধিতে পরিণত হয় ; সেখানে জীবনের সমস্ত লক্ষণই প্রকাশ পায় । সে জাতিতে সৌন্দর্য ফুলের মতো ফুটিয়া উঠে, বীরত্ব ফলের মতো পক্কতা প্রাপ্ত হয় । আমার বিশ্বাস, আমরা যতই মহত্ব উপার্জন করিতে থাকিব, আমাদের হৃদয়ের বল যতই বাড়িয়া উঠিবে, আমাদের দেশের বীরগণ ততই পুনর্জীবন লাভ করিবেন । পিতামহ ভীষ্ম আমাদের মধ্যে বাচিয়া উঠিবেন । আমাদের সেই নূতন জীবনের মধ্যে আমাদের দেশের প্রাচীন জীবন জীবস্ত হইয়া উঠিবে। নতুবা মৃত্যুর মধ্যে জীবনের উদয় হইবে कौ कब्रिग्न । विष्ट्रा९८थप्थ्राप्ण श्रृङएनश्। चौदिएउव्र भएउ ८कदण चणछवि स भूभडकि করে মাত্র। আমাদের দেশে সেই বিচিত্র ভঙ্গিমার প্রাদুর্তাব হুইয়াছে। কিন্তু হায় হায়, কে আমাদিগকে এমন করিয়া নাচাইতেছে। কেন আমরা জুলিয়া বাইতেছি যে আমরা নিতান্ত অসহায়। আমাদের এত সব উন্নতির মূল কোথায়। এ সব উন্নতি রাখিব কিসের উপরে। রক্ষা করিব কী উপায়ে। একটু নাড়া খাইলেই দিনছয়ের স্বথস্বপ্নের মতো সমস্তই যে কোথায় বিলীন হইয়া যাইৰে । অন্ধকারের মধ্যে বঙ্গদেশের উপরে ছায়াবাজির উজ্জল ছায়া পড়িয়াছে, তাহাকেই স্থায়ী উন্নতি মনে করিয়া আমরা ইংরেজি ফেশানে করতালি দিতেছি। উন্নতির চাকচিক্য লাভ করিয়াছি কিন্তু উন্নতিকে ধারণ করিবার, পোষণ করিবার ও রক্ষা করিবার বিপুল বল কই লাভ করিতেছি। আমাদের হৃদয়ের মধ্যে চাহিয়া দেখে, সেখানে সেই জীর্ণতা, দুর্বলতা, অসম্পূর্ণত, স্কুলত, অসত্য, অভিমান, অবিশ্বাস, ভয়। সেখানে চপলত, লযুত,