পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (পঞ্চদশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/১০১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মহুয়া স্বাক্টর সে-রঙ্গ আজি দেখি মানবের লোকালয়ে ছজনায় গ্রন্থির বঁাধন । অপুর্ব জীবন তাহে জাগিবে বিচিত্র রূপ লয়ে বিধাতার আপন সাধন । ছেড়েছে সকল কাজ, রঙিন বসনে ওরা সেজে চলেছে প্রাস্তর বেয়ে, পথে পথে বাশি চলে বেজে, পুরানো সংসার হতে জীর্ণতার সব চিহ্ন মেজে রচিল নবীন আচ্ছাদন । যাহা সবচেয়ে সত্য সবচেয়ে খেলা যেন তাই, যেন সে ফান্ধনকলোল্লাস । যেন তাহ নিঃসংশয়, মর্তের স্নানতা যেন নাই, দেবতার যেন সে উচ্ছ্বাস । সহজে মিশেছে তাই আত্মভোলা মানুষের সনে আকাশের আলো আজি গোধূলির রক্তিম লগনে, বিশ্বের রহস্যলীলা মানুষের উৎসবপ্রাঙ্গণে লভিয়াছে আপন প্রকাশ । বাজা তোরা বাজা বঁশি, মৃদঙ্গ উঠুক তালে মেতে দুরন্ত নাচের নেশা পাওয়া । নদীপ্রাস্তে তরুগুলি ঐ দেখ আছে কান পেতে, ঐ স্বর্য চাহে শেষ চাওয়া । নিবি তোরা তীর্থবারি সে-অনাদি উৎসের প্রবাহে অনন্তকালের বক্ষ নিমগ্ন করিতে যাহা চাহে বর্ণে গন্ধে রূপে রসে, তরঙ্গিত সংগীত উৎসাহে জাগায় প্রাণের মত্ত হাওয়া । لاه