পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (পঞ্চদশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৫৫৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গ্রন্থপরিচয় @ 86. বসন্ত বসন্ত ১৩২৯ সালের ( ১৯২৩ ) ফাল্গুন মাসে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। পরে উহ। ঋতু-উৎসব’ গ্রন্থে ( ১৩৩৩ ) সংকলিত হইয়াছে। ‘গানগুলি মোর শৈবালেরি দল’ গানটি ঋতু-উৎসবের পাঠে বর্জিত হইয়। থাকিলেও ১৩২৯ সালের পাঠ অনুযায়ী রচনাবলী-সংস্করণ বসন্ত গ্রন্থে যথাস্থানে মুদ্রিত হইল। বলাকার ১৫ সংখ্যক কবিতার সহিত গানটি তুলনীয়। রক্তকরবী রক্তকরবী ১৩৩৩ সালে [ ১৯২৬ ডিসেম্বর } গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় । ১৩৩০ সালের গ্রীষ্মাবকাশে শিলঙ-বাসকালে রবীন্দ্রনাথ নাটকটি 'যক্ষপুরী’ নামে প্রথম রচনা করেন। পাণ্ডুলিপি আকারেই পরে ইহার নাম দিয়াছিলেন 'নন্দিনী । ১৩৩১ সালের আশ্বিন মাসের প্রবাসীতে সংশোধিত বর্তমান আকারে নাটকটি ‘রক্তকরবী’ নামে সম্পূর্ণ মুদ্রিত হইয়াছিল। কালানুক্রম অনুসারে রচনাবলীতে রক্তকরবী বসন্তের পরেই মুদ্রিত হইল । বর্তমান সংস্করণের ‘নাট্যপরিচয় অংশ রবীন্দ্রভবনে রক্ষিত রক্তকরবীর পাণ্ডুলিপি হইতে গৃহীত হইয়াছে। প্রচলিত সংস্করণ রক্তকরবীর ‘প্রস্তাবনা’ ১৩৩১ সালে লিখিত কবির একটি ‘অভিভাষণ • নিম্নে উহা মুদ্রিত হইল : “আণজ আপনাদের বারোয়ারি-সভায় আমার 'নন্দিনী’র পালা অভিনয় । প্রায় কখনো ডাক পড়ে না, এবারে কৌতুহল হয়েছে। ভয় হচ্ছে, পালা সাঙ্গ হলে ভিখ মিলবে না, কুত্তা লেলিয়ে দেবেন। তারা পালাটাকে ছিড়ে কুটিকুটি করবার চেষ্টা করবে। এক ভরসা, কোথাও দস্তস্ফুট করতে পারবে না। আপনার প্রবীণ। চশমা বাগিয়ে পালাটার ভিতর থেকে একটা গৃঢ় অর্থ খুটিয়ে বের করবার চেষ্টা করবেন। আমার নিবেদন, যেটা গৃঢ় তাকে প্রকাশ করলেই তার সার্থকতা চলে যায়। হৃৎপিণ্ডটা পাজরের আড়ালে থেকেই কাজ করে। তাকে • महेवा : ब्रवैौटय-ब्रक्रमांदर्जौ, बांन° ५७ शृ ७s । ২ ক্রষ্টব্য : প্রবাসী, ১৩৩২ বৈশাখ— ‘রক্তকরবী’ ।